হিমন্ত বিশ্বশর্মা-র মেডিক্যাল কলেজ নাম বদল সিদ্ধান্তের দৃষ্টান্ত টেনে নাম পরিবর্তনের দাবিতে বিডিএফ; তেজপুরের মতো শিলচরেও স্থাননির্ভর নামকরণের দাবি
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
শিলচর : সম্প্রতি রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বরপেটার ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ মেডিক্যাল কলেজের নাম বদলে ‘ বরপেটা মেডিক্যাল কলেজ ‘ করার কেবিনেট সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন। যুক্তি হিসেবে তিনি বলেছেন যে রাজ্যের বাকি সব মেডিক্যাল কলেজের নাম স্থানীয় জায়গার নামে নামাঙ্কিত, শুধু বরপেটার এই মেডিক্যাল কলেজটিই ব্যাতিক্রম,যাতে অনেকে এটিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বলে ভুল করে থাকেন। এইজন্যই এই বদল। ঠিক একই যুক্তিতে ‘আসাম বিশ্ববিদ্যালয় ‘ এর নাম বদলে ‘ শিলচর বিশ্ববিদ্যালয় ‘ ঘোষণা করার দাবি জানাল বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
এক ভিডিও বার্তায় বিডিএফ আহ্বায়ক হৃষীকেশ দে বলেন যে একই সাথে যে দুইটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিলান্যাস হয়েছিল তার একটি তেজপুরে এবং অপরটি শিলচরে। কিন্তু তেজপুরের টির নাম ‘ তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয় করা হলেও শিলচরের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ‘আসাম বিশ্ববিদ্যালয় ‘করা হয়েছে। যেহেতু এখন নাম পরিবর্তনের হিড়িক পড়েছে,রাজ্য,শহর,রাস্তাঘাট এবং সর্বশেষ সংযোজন ‘ মেডিক্যাল কলেজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে তাই তাদের এই দাবিটিও অবিলম্বে পূরণ করা হোক।
তিনি বলেন এই দাবি মানা হলে বোঝা যাবে যে এই ব্যাপারে রাজ্য কেবিনেট নিরপেক্ষ, শুধু একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাত করা হয়নি। অন্যথা অবশ্যই বলতে হবে যে আসামের বিশিষ্ট একজন রাজনৈতিক নেতা এবং অবশ্যই এই রাজ্য থেকে নির্বাচিত একমাত্র রাস্ট্রপতি,যাকে আসামের গৌরব হিসেবে গণ্য করা হয়, তাঁর নাম এভাবে সরিয়ে দেবার পেছনে বিভাজনের ঘৃন্য রাজনীতিই উদ্দেশ্য এবং এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আসন্ন ভোটে লাভালাভের অঙ্ক কষা হয়েছে।
হৃষীকেশ দে এদিন আরো বলেন যে একই যুক্তিতে গৌহাটির মহেন্দ্র মোহন চৌধুরী হাসপাতালের নামও অবিলম্বে পরিবর্তন করে পানবাজার হাসপাতালে করার দাবি জানাচ্ছেন তিনি।বিডিএফ এর পক্ষ থেকে আহ্বায়ক দেবায়ন দেব এক প্রেস বার্তায় এই খবর জানিয়েছেন।



