চেক জমার পরেও মিলল না অর্থ, ব্যাংকের দ্বারে দ্বারে ঘুরে হতাশ ৪৩ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা
অজিত দাস
হাইলাকান্দি : আসামের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার হাত থেকে গত ৬ই ডিসেম্বর ‘উদ্যুমিতা সেলফ হেল্প গ্রুপ’-এর মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার চেক গ্রহণ করেছিলেন এই ৪৩ জন মহিলা। উদ্দেশ্য—সরকারের ‘লাখপতি দিদি’ প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক স্বনির্ভরতা।
প্রাপ্ত চেকগুলো ৮ই ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে হাইলাকান্দির কুয়ার পার চিবিটাবিচিয়া এলাকার পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, চেক জমা দেওয়ার পর কেটে গেছে প্রায় দুই মাস—আজও এক পয়সাও পাননি উপভোক্তারা। মহিলারা একাধিকবার ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নিলে প্রতিবারই ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ‘দু’দিন পরে আসুন’, ‘তিন দিন পরে আসুন’—এই ধরনের উত্তর পেয়েছেন বলে অভিযোগ।
আজ অবশেষে ব্যাংক ম্যানেজারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চেকগুলো বাউন্স হয়েছে, তারিখ সংশোধনের প্রয়োজন এবং বিষয়টি এসআরএম ডিপার্টমেন্টে রিটার্ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়— “আমার হাতে কিছু নেই, আমি কিছু করতে পারব না।” এই বক্তব্যে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ৪৩ জন মহিলা। ক্ষোভ আর হতাশা চরমে পৌঁছেছে।
মহিলারা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের স্পষ্ট দাবি— অবিলম্বে সমস্যার সমাধান করতে হবে, দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দ্রুত তাদের প্রাপ্য অর্থ প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। অ্যাঙ্কর সাইন অফ: এখন দেখার বিষয়, সরকারের ‘লাখপতি দিদি’ প্রকল্পের আওতায় থাকা এই দরিদ্র মহিলাদের সমস্যা সমাধানে প্রশাসন ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।



