এই র্যালির মূল অভিপ্ৰায় হলো উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় সুদৃঢ় করা এবং একটি অখণ্ড আঞ্চলিক সংহতি গড়ে তোলা
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
গত ৪ জানুয়ারি কলকাতা থেকে শুরু হওয়া ‘নর্থ ইস্ট ইন্টিগ্রেশন র্যালি’ (উত্তর-পূর্ব সংহতি সমাবেশ) বর্তমানে সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল জুড়ে এক অভাবনীয় গতিবেগ সঞ্চার করেছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটিতে এই সুদীর্ঘ সমাবেশের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। গত কয়েক সপ্তাহে এই পদযাত্রা সাধারণ মানুষের বিপুল সমর্থন ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লাভ করেছে, যা উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংলাপ, সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক সংহতির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।

এই র্যালির মূল অভিপ্ৰায় হলো উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় সুদৃঢ় করা এবং একটি অখণ্ড আঞ্চলিক সংহতি গড়ে তোলা। ধারাবাহিক সংবাদ প্রচার ও জনসংযোগের মাধ্যমে এই অঞ্চলের সুপ্ত সম্ভাবনাগুলোকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব জাগ্রত করা এবং উন্নয়নমূলক কাজে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিবর্তনের মূল স্রোতে শামিল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্যোক্তারা এই কর্মসূচির প্রতিটি পর্যায়কে নথিবদ্ধ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। র্যালির বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনা ও অভিজ্ঞতাগুলো ‘হোয়াইট পেপার’ বা শ্বেতপত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া লাইভ টেলিকাস্ট এবং আলোকচিত্রের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যাদি সংরক্ষণ ও প্রচার করা হচ্ছে। এই মঞ্চ কেবল সংহতিই নয়, বরং সুশাসন, বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত এবং আধুনিক ধ্যান-ধারণার আদান-প্রদানের একটি ক্ষেত্র হিসেবেও কাজ করছে।

উল্লেখ্য, এই র্যালির মূল নেপথ্যে রয়েছে বিশ্বদীপ গুপ্তের নেতৃত্বাধীন বিশিষ্ট সংস্থা ‘নলেজ রিসোর্স সেন্টার ফাউন্ডেশন’ (কেআরসি ফাউন্ডেশন)। এই বহুমুখী পরামর্শদাতা সংস্থাটি মিডিয়া ও কমিউনিকেশন কনসাল্টিং, আইটি সলিউশন, প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ (প্লেসমেন্ট), গবেষণা এবং উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে পেশাদার পরিষেবা প্রদান করে আসছে। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনেও এই সংস্থার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।
র্যালিটি বর্তমানে বিভিন্ন জনপদ অতিক্রম করে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে। আয়োজক পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এযাবৎ প্রাপ্ত জনসমর্থন প্রমাণ করেছে যে উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষ, বিবিধ প্রতিষ্ঠান এবং নতুন চিন্তাধারাকে একই সূত্রে বাঁধার জন্য এমন একটি দীর্ঘস্থায়ী প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন ছিল অনস্বীকার্য। পদযাত্রার এই সাফল্য আগামী দিনে উত্তর-পূর্বের সংহতিকে এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Promotional | North East Integration Rally



