এক কিশোরীর জীবন মৃত্যুর লড়াই

< 1 - মিনিট |

চিকিৎসা ব্যর্থতা নাকি আর্থিক অক্ষমতা?

অজিত দাস

শিলচর : সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ইয়াসমিন বেগম মজুমদার বর্তমানে কোমা অবস্থায় শয্যাশায়ী। প্রায় ছয় মাস আগে মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা অনুভবের পর থেকে চিকিৎসার জন্য তার পরিবার বার বার হাসপাতালে ছুটেছেন। গুয়াহাটি জিএমসি ও শিলচরের দুটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তিন দফা অস্ত্রোপচার হয়েছে ইয়াসমিনের। চিকিৎসকদের পরামর্শেই এই অস্ত্রোপচারগুলি করা হলেও, কোনো উন্নতি হয়নি—বরং তৃতীয় অস্ত্রোপচারের পর থেকেই কোমায় চলে যায় ইয়াসমিন।

মালুগ্রাম গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী ইয়াসমিনের বাড়ি দুধপাতিল ষষ্ঠ খণ্ডে। তার পিতা কবীর হুসেন চৌধুরী একজন অটোচালক। ইতিমধ্যে প্রতিবেশীদের সহায়তায় চাঁদা তুলে প্রায় ২ লক্ষ টাকার চিকিৎসা ব্যয় করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকরা আবার অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিচ্ছেন, কিন্তু পরিবারের পক্ষে আর্থিকভাবে তা অসম্ভব।

একটি সাংবাদিক সম্মেলনে ইয়াসমিনের দাদু আবুল হুসেন মজুমদার কাতর আরজি জানান—এই শিশুর জীবন বাঁচাতে প্রশাসন ও সমাজের সহানুভূতি একান্ত প্রয়োজন। চিকিৎসকদের প্রতিও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও সম্প্রতি জিরিবামের এক রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে, এলাকার বাসিন্দারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, ইয়াসমিনের ক্ষেত্রেও চিকিৎসাগত গাফিলতির ঘটনা ঘটেছে কি না—তা তদন্ত সাপেক্ষ বলে মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।

5E for Success | Apply for Internship
Know MoreApply Here

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related news