উদ্ভাবনের সুরক্ষা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে বৌদ্ধিক সম্পত্তি অধিকারের ভূমিকা অপরিসীম: ড. মহুয়া হোমচৌধুরী
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
শিলচর : গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজের আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তির সফল হস্তান্তরে বৌদ্ধিক সম্পত্তি অধিকার বা ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস’ (IPR)-এর গুরুত্ব অপরিসীম। শনিবার শিলচর গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক আলোচনাসভায় এই অভিমত ব্যক্ত করেন পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মহুয়া হোমচৌধুরী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইপিআর সেল এবং অসম বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ পরিষদের (ASTEC) যৌথ ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই সেমিনারের মূল বিষয়বস্তু ছিল— “প্রযুক্তি হস্তান্তরে বৌদ্ধিক সম্পত্তি অধিকারের ভূমিকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার ভাষণে ড. মহুয়া হোমচৌধুরী পেটেন্ট, কপিরাইট ও ট্রেডমার্কের বিভিন্ন প্রায়োগিক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে গবেষক ও উদ্ভাবকদের সৃজনশীল কাজের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে কীভাবে সম্পদে রূপান্তরিত করা যায় এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আইপিআর কীভাবে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, তা তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জলভাবে ব্যাখ্যা করেন। একইসঙ্গে তিনি উপস্থিত শিক্ষক ও গবেষকদের বিভিন্ন কৌতূহলী প্রশ্নের উত্তর দেন।
এ দিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম বিশেষ মুহূর্ত ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আইপিআর সেল’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। উপাচার্য ড. নিরঞ্জন রায় এই সেলের দ্বারোদ্ঘাটন করে বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী পরিবেশ তৈরিতে এই ধরনের উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি আরও জানান, গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয় খুব শীঘ্রই অসম বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ পরিষদের (ASTEC) সঙ্গে একটি সমঝোতা (MoU) স্বাক্ষর করতে চলেছে, যা গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইপিআর সেলের সমন্বয়কারী ও রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপিকা ড. সর্বশ্রী নাথ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এই সেলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা, গবেষক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
Promotional | North East Integration Rally




