চট্টগ্রামে ইপিজেডে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে তিন বাহিনী

2 - মিনিট |

আগুন লাগা প্রতিষ্ঠানটিতে তোয়ালেসহ হাসপাতালে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়

সমীরণ রায়

ঢাকা : বাংলাদেশে চট্টগ্রাম নগরীর রফতানি প্রক্রিয়াকরণ (সিইপিজেড) এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর ফায়ার ইউনিট। যুক্ত হয়েছেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৬ ঘণ্টায়ও এ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে সিইপিজেডের ১ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর সড়কের ‘অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড’ নামের ওই কারখানায় এ আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট। এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন লাগা প্রতিষ্ঠানটিতে তোয়ালেসহ হাসপাতালে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও হতাহত হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের বন্দর, আগ্রাবাদ, ইপিজেড, কালুরঘাট ও চন্দনপুরা স্টেশনের ১৯টি ইউনিট।

সিএমপির ইপিজেড থানার ওসি মোহাম্মদ জামির হোসেন জিয়া বলেন, ‘অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড নামের ওই কারখানার ৬ ও ৭ তলায় আগুন লেগেছে। ওইখানে প্রতিষ্ঠানটিতে চিকিৎসা সরঞ্জামও তৈরি করা হয়।

মূলত জিনিসপত্র রাখার গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে কারখানাটির সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। ওইখানে লোকজন ছিল না বলে জেনেছি। যারা নিচের তলায় ছিল তারা বেরিয়ে এসেছে। কেউ কেউ হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে সামান্য আহত হয়েছেন। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর ফায়ার ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করছে। সহযোগিতা করছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

সিইপিজেড সূত্র জানায়, ভবনটিতে মোট ৭০০ শ্রমিক কাজ করেন। তবে তাদের কেউ আহত হননি। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাই এ ঘটনায় কারও হতাহত হওয়ার আশঙ্কা নেই। জি হং মেডিকেল কোম্পানির শ্রমিক মোছাম্মত শিপা বলেন, যে জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত, সেখানে সাধারণত নারীদের যাওয়া নিষেধ। তিনি পাঁচতালায় কাজ করতেন। দুপুরে খাওয়ার পর তিনি ‘আগুন, আগুন’ বলে চিৎকার করে ওপর থেকে অনেককে নামতে দেখেন। এ চিৎকার শুনে তিনিসহ সবাই দৌড়ে নিচে নেমে আসেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related news