ছাত্রীদের দক্ষতা বিকাশে অভিনব উদ্যোগ, ডিএনএনকে গার্লস এইচ এস স্কুলে ‘ছাত্রী বাজার’

< 1 - মিনিট |

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই দক্ষতা শিক্ষার সুপারিশের প্রেক্ষিতে ছাত্রীদের হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা দিতে স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় একটি ‘ছাত্রী বাজার’

কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো

শিলচর : জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০–এর আলোকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে ডিএনএনকে গার্লস এইচ এস স্কুলের এনএসএস ইউনিট এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই দক্ষতা শিক্ষার সুপারিশের প্রেক্ষিতে ছাত্রীদের হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা দিতে স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় একটি ‘ছাত্রী বাজার’।

এই বাজারে ছাত্রীরা নিজেদের তৈরি বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য, চিত্রকলা, হাতে বোনা সামগ্রী ও নানা স্বাদের খাদ্য—পিঠা-পুলি, চাট, মোমোসহ রকমারি পদ—বিক্রির জন্য সাজায় দোকান। পাশাপাশি ছিল ছাত্রীদের বাগানের তাজা শাকসবজিও। মোট ২৫টি দোকান পঞ্জিকৃত হয়; পরে আরও কয়েকটি দোকান যুক্ত হওয়ায় বাজারটি জমজমাট রূপ নেয়।

বাজারের উদ্বোধন করেন কাছাড় কলেজের অধ্যক্ষ ড. অপ্রতিম নাগ। উপস্থিত ছিলেন স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শান্তনু নায়েক, স্কুলের অধ্যক্ষ ড. অভিজিৎ সাহা, এনএসএস ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. সন্দ্বীপ দেবনাথসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. নাগ এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং বলেন, এমন প্রয়োগিক শিক্ষা ছাত্রীদের ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী উদ্যোক্তা ও সফল ব্যবসায়ী হতে সহায়তা করবে। স্কুলের অধ্যক্ষ ড. অভিজিৎ সাহা তাঁর বক্তব্যে বর্তমান যুগকে ‘দক্ষতার যুগ’ হিসেবে উল্লেখ করে এই বাজার আয়োজনের জন্য এনএসএস ইউনিট ও শিক্ষক ড. সন্দ্বীপ দেবনাথের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ক্রেতা হিসেবে অংশ নেন ড. নাগ, পরিচালন সমিতির সভাপতি, স্কুলের প্রাক্তনী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রীরা। বাস্তব বাজারের মতোই দরকষাকষির মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় হয়, যা ছাত্রীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়ক হয়। ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়াতে গিফট কুপনের ব্যবস্থাও রাখা হয়। একশত টাকা বা তার অধিক মূল্যের পণ্য ক্রয়ে গিফট কুপন প্রদান করা হয় এবং বাজার শেষে লটারির মাধ্যমে তিনজন ক্রেতাকে উপহার দেওয়া হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related news