তিন প্রজন্ম থেকে বরাকে যারা বসবাস করছেন তাঁদের খিলঞ্জীয়া ঘোষণা করা হোক

2 - মিনিট |

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি সুস্মিতার

কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো

শিলচর : বরাক উপত্যকায় এসে বাঙালিদের হয়ে এক কথা বলেন। আর বাইরে গেলে মুখ্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্ব শর্মা অন্য কথা বলেন। আগামী ২৪ আগস্ট শিলচর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচনে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। নেতাজীর প্রতি যদি শ্রদ্ধা থাকে, তাহলে তিন প্রজন্ম থেকে বরাকে যারা বসবাস করছেন তাঁদের খিলঞ্জীয়া ঘোষণা করা হোক। বৃহস্পতিবার শিলচরে এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এই আহ্বান জানান রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব।

তিনি বলেন, বর্তমান ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী।বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর জন্য কাজ করছেন তিনি। রাজ্যে বিজেপি সরকার যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তা অত্যন্ত চিন্তনীয়। মুখ্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নিজের ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর জন্য উচ্ছেদ চালাচ্ছেন । ভোটার তালিকায় নাম থাকা নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ বলে বর্ডারে ঠেলে দিচ্ছেন।কিছুদিন ধরে বেছে বেছে বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশী বলে পুশব্যাক করা হচ্ছে।

শিলচর বিমানবন্দর হয়ে স্পেশাল বিমানে বাঙালীদের ধরে এনে পুশব্যাক করা হচ্ছে।ধুবড়ি, গোয়ালপাড়ায় শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী আদানি গ্রুপের সোলার প্রজেক্ট নির্মাণে জমির জন্য উচ্ছেদ চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।কিন্তু বর্তমান তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলে উচ্ছেদ চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। সুস্মিতা বলেন, বর্তমান রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির অবস্থা শোচনীয়। মুখ্যমন্ত্রী লোকসভা নির্বাচনের আগে ডি ভোটার সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রক্ষা করেন নি।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বলছেন বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশী।আর ৭১ এর আগে যাঁরা এসেছে তাঁদের জমি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সব সময় এন্টি বেঙ্গলী কথা বলেন।মুখ্যমন্ত্রী চরম বাঙালি বিরোধী। ভাষার ভিত্তিতে অনুপ্রবেশ রোধ করতে চাইছেন ।অথচ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা অনুপ্রবেশকারী ঠেকানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন ।

মুখ্যমন্ত্রী ফিসারমেনদের খিলঞ্জীয়া ঘোষণা করবেন বলেছিলেন। এছাড়া ভোটের আগে ডি ভোটার সমস্যার সমাধান করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ডিলিমিটেশনের পর ৯০ শতাংশ আসন অসমিয়াদের জন্য সংরক্ষিত হয়েছে বলেছিলেন। কিন্তু বর্তমান সবকিছুতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।

বিহারে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে তা অসমেও করার আশঙ্কা রয়েছে।বিহারে নির্বাচন কমিশনের নতুন সংশোধন প্রক্রিয়া অসমে চাপিয়ে দেওয়া হলে বাঙালিরা ফের নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে গিয়ে চরম সমস্যার সম্মুখীন হবেন বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেন তিনি।এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজেশ দেব,নন্দন দাস প্রমুখ।

5E for Success | Apply for Internship
Know MoreApply Here

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related news