নেতাজির পদচিহ্নে উত্তর-পূর্বের সংহতি যাত্রা (NEIR)

2 - মিনিট |

মৈরাং-এ পরাক্রম দিবস পালনের প্রস্তুতি

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

মৈরাং : আগামী ২৩শে জানুয়ারি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম মহানায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মজয়ন্তী। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মণিপুরের মৈরাং-এ এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে মৈরাং-এর গুরুত্ব অপরিসীম, আর সেই পুণ্যভূমিতেই এবার ‘পরাক্রম দিবস’ পালনে শামিল হতে চলেছে ‘নর্থ ইস্ট ইন্টিগ্রেশন র‍্যালি ২০২৬’ (NEIR)। মৈরাং-এর ঐতিহাসিক আই.এন.এ অডিটোরিয়ামে এই বিশেষ কর্মসূচি পালিত হবে।

ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনস্থ ‘উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ (NEZCC) এবং মৈরাং-এর ‘আই.এন.এ ওয়ার মিউজিয়াম কাম লাইব্রেরি’-র যৌথ উদ্যোগে এই মহতী অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নেতাজির আদর্শ এবং ভারতের অখণ্ডতার বার্তাকে জনমানসে পৌঁছে দিতে এই আয়োজনে সহযোগী অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘উত্তর-পূর্ব সংহতি র‍্যালি’।

এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইম্ফল থেকে ১০টি গাড়ির একটি সুসজ্জিত কনভয় মৈরাং-এ এসে পৌঁছাবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে সংহতি স্থাপন এবং নেতাজির অমলিন স্মৃতিকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এই র‍্যালির মূল লক্ষ্য। র‍্যালি আয়োজক কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শান্তি সিং এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উত্তর-পূর্বের সংহতি ও জাতীয়তাবোধের ওপর আলোকপাত করবেন।

আগামী ২৩শে জানুয়ারি সকাল ৯টায় নেতাজির প্রতি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। মণিপুর ও নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অজয় কুমার ভাল্লা-কে (আইএএস, অবসরপ্রাপ্ত) প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন মৈরাং-এর বিধায়ক তথা আই.এন.এ মেমোরিয়াল কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান থংগাম শান্তি সিং। এ ছাড়াও মণিপুর সরকারের সংস্কৃতি দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

মৈরাং-এর এই অনুষ্ঠানকে সজীব করে তুলতে স্থানীয় শিল্পীদের মাধ্যমে পরিবেশিত হবে মণিপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘পুং’ (Pung), রণকলা ‘থাং-তা’ (Thang-ta) এবং ‘জাগোই’ নৃত্য। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনাগুলোর মধ্য দিয়ে নেতাজির দেশপ্রেম, বীরত্ব এবং সংগ্রামের আখ্যানকে ফুটিয়ে তোলা হবে।

আয়োজকদের মতে, ‘উত্তর-পূর্ব সংহতি র‍্যালি’-র অংশগ্রহণ এই পরাক্রম দিবস পালনকে এক ভিন্ন মাত্রা দান করেছে। এটি শুধুমাত্র একটি স্মরণসভা নয়, বরং মৈরাং-এর ঐতিহাসিক ভূমিকার সঙ্গে বর্তমানের সংহতি আন্দোলনের এক সেতুবন্ধন। ছাত্রছাত্রী, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে।

Promotional | North East Integration Rally

Stay connected with the biggest action oriented movement of North East India – connecting, uniting, working for Peace, Progress and Prosperity of North East India. Know More – Connect with Us

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *