বিধায়ক নিহার রঞ্জনের দারস্ত পশ্চিম গঙ্গানগরের বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবি নিয়ে

2 - মিনিট |

দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রী, রোগী ও নিত্যযাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন

অজিত দাস

ধলাই : পশ্চিম গঙ্গানগরের বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে সরব হলেন এলাকাবাসী। ধলাই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পশ্চিম গঙ্গানগর গ্রামের দীর্ঘদিনের ভগ্নদশাগ্রস্ত রাস্তা নিয়ে আজ ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয় মানুষজন। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়াংস্টার ক্লাবের উদ্যোগে ও সম্পাদক সামস উদ্দিন লস্করের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল ধলাইয়ের বিধায়ক নীহার রঞ্জন দাসের পানিভরা স্থিত বাসভবনে গিয়ে তাঁর হাতে একটি লিখিত স্মারকলিপি তুলে দেন।

প্রতিনিধিরা জানান, স্বাধীনতার পর প্রথমবার বর্তমান সাংসদ ও প্রাক্তন পূর্তমন্ত্রী পরিমল শুক্লবৈদ্যের উদ্যোগে এসএমডি পূর্ত সড়ক থেকে পশ্চিম গঙ্গানগর গ্রামের সংযোগকারী সেন্ট কেথারিন এলাকার প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা সিসি ব্লকে উন্নীত করা হয়। এই কাজের জন্য এলাকাবাসী প্রাক্তন মন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তবে অভিযোগ, ওই রাস্তার অবশিষ্ট প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশ এখনও চরম বেহাল অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রী, রোগী ও নিত্যযাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বর্ষাকালে এই রাস্তায় চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ইয়াংস্টার ক্লাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো নির্বাচিত বিধায়ক পশ্চিম গঙ্গানগর এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেননি বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।

এই পরিস্থিতিতে বিধায়ক নীহার রঞ্জন দাসকে এলাকায় এসে বাস্তব চিত্র স্বচক্ষে দেখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়, যাতে জনগণের স্বার্থে অবিলম্বে অবশিষ্ট রাস্তার সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা যায়। বিধায়ক প্রতিনিধি দলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং শীঘ্রই এলাকা পরিদর্শনের আশ্বাস দেন। রাস্তাটির অবস্থা সরেজমিনে দেখে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এই কর্মসূচিতে আমড়াঘাট স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধি সঞ্জয় অধিকারী বিশেষ সহযোগিতা করেন। বিধায়কের আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসীর আশা—রাস্তার সংস্কার হলে পশ্চিম গঙ্গানগরের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট ও জনদুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

Promotional | North East Integration Rally

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related news