বৈদ্যুতিন মাধ্যমের দাপটে পোস্ট কার্ড উঠে যেতে বসলেও বিক্রি বাড়ছে: গৌতম ভট্টাচার্য

< 1 - মিনিট |

একটা সময় বিজয়া দশমী থেকে বাংলা নববর্ষ— শুভেচ্ছা জানানোর প্রধান মাধ্যম ছিল পোস্টকার্ড

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

নিত্যব্যবহারের পোস্ট কার্ড উঠে যেতে বসলেও বিক্রি বাড়ছে এই কার্ডের। বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানালেন চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল (সিপিএমজি- বেঙ্গল সার্কল) গৌতম ভট্টাচার্য। বণিকসভার এক আলোচনাচক্রে তিনি এই তথ্য জানান। 

 একটা সময় বিজয়া দশমী থেকে বাংলা নববর্ষ— শুভেচ্ছা জানানোর প্রধান মাধ্যম ছিল পোস্টকার্ড। এ ছাড়াও নিত্য সংবাদের আদানপ্রদানেও এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। এখন ইমেল, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক প্রভৃতির দাপটে গৃহস্থবাড়িতে এই কার্ডের দেখা মেলে না। কিন্তু মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের (এমসিসিআই) সভায় গৌতমবাবু বলেন, ২০১৬-’১৭ অর্থবর্ষে গোটা দেশে পোস্টকার্ড বিক্রি হয়েছে ৯৯ কোটি ৮৯ লক্ষ। সেখানে পরের অর্থবর্ষে এই বিক্রি হয়েছে ১০৬ কোটি ২৩ লক্ষ। প্রতিদিন দেশে পোস্টকার্ড বিক্রি হচ্ছে ১ কোটির ওপর।

 সভাপতি বিশাল ঝাঝারিয়া বলেন, প্রতি পোস্ট কার্ডে খরচ হয়  ১২ টাকা ১৫ পয়সা। সেখানে বিক্রি হয় ৫০ পয়সায়, অর্থাৎ তৈরির খরচের ৪ শতাংশে। গড়ে একটা পার্সেল বিলি করতে খরচ হয় ৮৯ টাকা ২৩ পয়সা, কিন্তু পরিষেবা বাবদ মেলে এর অর্ধেক। বুক পোস্ট, স্পিড পোস্ট, রেজিস্ট্রেশন প্রভৃতির জন্যও প্রচুর গুনাগার দিতে হয় ডাক দফতরকে। এই পরিমাণটা (মিস ম্যাচ) কমানো দরকার। গৌতমবাবু বলেন, এই ঘাটতিটা সামাজিক দায়বদ্ধতা মাথায় রেখে সচেতন ভাবেই বহন করা হচ্ছে। লেটার মেল পার্সেল মেল, প্যাকেট মেল, পোস্ট কার্ড, রেজিস্টার্ড নিউজ পেপার প্রভৃতি ক্ষেত্রে ২০১৬-’১৭ এবং ’১৭-১৮ অর্থবর্ষে সারা ভারতে এই ঘাটতির তালিকাও দাখিল করেন তিনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *