শহরের দ্বিতীয় লিংক রোড ও কালাইন থেকে আটক দুজন ভুয়ো চিকিৎসক
অজিত দাস
শিলচর : কাছাড়ে চলে থাকা ভুয়ো চিকিৎসকদের অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে আসাম পুলিশ জেলায় অভিযান অব্যাহত রেখেছে।গতকাল ও আজ দুটি অভিযান চালিয়ে শহরের দ্বিতীয় লিংক রোড থেকে পঙ্কজ চৌধুরী এবং কালাইন থেকে সুবীর চৌধুরী নামের দুই ভুয়ো চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে কাছাড়ের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার নোমাল মাহাত্তা জানান,ধৃত ব্যক্তি নিজেকে গ্যাষ্ট্রো এন্ট্রোলোজিস্ট ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিলচরের বিভিন্ন অঞ্চলে চিকিৎসা পরিসেবা চালিয়ে আসছিল।
আসাম কাউন্সিল অফ ম্যাডিকেল রেজিস্ট্রেশনের তরফে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযানে নেমে দ্বিতীয় লিংক রোডের বাসিন্দা পঙ্কজ চৌধুরীর নথিপত্র পরীক্ষা করার পর সে সম্পূর্ণ ভুয়ো চিকিৎসক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিল বলে প্রমাণ পায় পুলিশ।সুদুর উত্তর প্রদেশের একজন বৈধ চিকিৎসকের নামে সে কাছাড়ে চিকিৎসা পরিসেবা চালিয়ে আসছিল বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার।
তদন্তে নেমে পুলিশ ভুয়ো চিকিৎসক পঙ্কজ চৌধুরীর ৩টি প্যান কার্ড উদ্ধার করেছে। এবং সেই ৩টি প্যান কার্ডে তাঁর পিতার ভিন্ন-ভিন্ন নাম থাকার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এছাড়া পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া পঙ্কজ চৌধুরীর আঁধার কার্ড ও প্যান কার্ডে বয়সের গড়মিল রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার এসএসপি।
জেলায় দীর্ঘদিন ধরে ভুয়ো চিকিৎসা পরিসেবার মাধ্যমে পঙ্কজ চৌধুরী সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করে আসছিল, পঙ্কজ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে অনেক প্রমাণ পেয়েছে। এবং বর্তমানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এদিকে দ্বিতীয় অভিযানে জেলার কালাইন অঞ্চল থেকে সুবীর চৌধুরী নামের এক ভুয়ো চিকিৎসককে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
ধৃত ব্যক্তি এলাকায় একটি ফার্মাসি খুলে নিজেকে এমবিবিএস পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালিয়ে আসছিল।কালাইন সিন্দুরা এলাকার বাসিন্দা সুবীর চৌধুরী সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করে তাঁর অবৈধ ব্যবসা গড়ে তোলার পাশাপাশি এলাকায় এক বৈধ চিকিৎসকের মতো মানুষকে সেলাইন ও ইনজেকশন দিয়ে আসছিল।
পুলিশ বিশেষ দুটি অভিযান চালিয়ে ধৃত দুই ভুয়ো চিকিৎসককে আদালতে প্রেরণ করে কঠোর থেকে কঠোরতরম আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানিয়েছেন এসএসপি নোমাল মাহাত্তা।
Promotional | North East Integration Rally




