যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে যোগদিতে ঢাকায় আলী পারভেজ মালিক

2 - মিনিট |

এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলে আশাবাদী অর্থনীতি বিশ্লেষকরা

সমীরণ রায়

ঢাকা : দুই দশক পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকায়। আগামী ২৭ অক্টোবর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে মৌলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে দুই দেশ। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলে আশাবাদী অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানে যেন রপ্তানি বাড়ে ও শুল্ক কমে, সে বিষয়ে বাংলাদেশকে জোর দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে এমন বৈঠককে রাজনৈতিক সদিচ্ছার অংশ হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।  ২০ বছর পর ঢাকায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের এই নবম বৈঠকে পাকিস্তানের পক্ষে প্রথমে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রী আহাদ খান চিমার।

তবে শেষ মুহূর্তে ইসলামাবাদ জানায়, এতে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার তিন দিনের সফরে ঢাকায় পৌছেন পারভেজ মালিক। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে আগারগাঁওয়ে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে হবে জেইসির বৈঠক।

গুরুত্ব পাবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো, কৃষি খাতে সহায়তা, আর্থিক সেবা খাতসহ সংশ্লিষ্ট খাতে সহায়তার বিষয়গুলো। এ সময় বাংলাদেশ-পাকিস্তান একটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। এ বিষয়ে সম্প্রতি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ আছে, তাই সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ।  

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ সময় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি চোখে পড়ার মতো। ড. অর্থনীতিবিদ মাহফুজ কবির জানান, রাজনৈতিক স্বার্থের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনা করতে হবে বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের  ব্যবসা-বাণিজ্য এগিয়ে নেওয়ার ভালো সুযোগ আছে।

এ বৈঠকের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, অর্থনীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক ও ৭১ অমীমাংসিত বিষয়-এই ৩টি সদিচ্ছা থাকলেই দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা উচিত এই বৈঠকে বলে মনে করছেন অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা।  সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিজেদের কৌশল দিয়ে কিভাবে পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব সে বিষয়ে গুরত্ব দিতে হবে বাংলাদেশকে।

Promotional | North East Integration Rally

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related news