উগ্র ইস্লামিক চিন্তাধারা ছড়িয়ে দিতে কি চালানো হচ্ছে নেক্সাস?
অজিত দাস
শিলচর : উগ্র ইস্লামিক চিন্তাধারা ছড়িয়ে দিতে কি চালানো হচ্ছে নেক্সাস? মসজিদ নির্মাণের নামে বাংলাদেশী পড়ুয়ার আর্থিক অনুদান!
বয়েজ হোস্টেলে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা ও হালাল মাংস পরিবেষণ! সমস্ত ঘটনার তদন্তে শিলচর NIT তে হানা দেয় গুয়াহাটি থেকে আগত আসাম পুলিশের Special Investigation Team. দুদিন যাবত শিলচর NIT তে আস্তানা গেরে এই তদন্তকারী দল বাংলাদেশী পড়ুয়াদের এই নেক্সাসের সাথে জড়িত ৫ অধ্যাপক সহ এ কর্মীকে জেরা করছে l

ফটটি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে তোলপাড়। এখানে রয়েছেন ৫ জন্য অদ্যাপক ও একজন বাংলাদেশী পড়ুয়া। আর এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক বাংলাদেশী পড়ুয়া মসজিদ নির্মাণের জন্য মোটা অংকের বিদেশি আর্থিক অনুদান হিসেবে খামে করে নগদ অর্থ তুলে দিচ্ছে এক অধ্যাপকের হাঁতে যা ভারতীয় Foreign Contribution (Regulation) Act উলঙ্ঘন করে।
কারা কারা রয়েছেন এই বহু বিতর্কিত ফোটতে? চলুন একে একে করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি তাদের সাথে। ইনি হচ্ছেন ১. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অধ্যাপক তথা প্রাক্তন রেজিস্ট্রার এবং প্রাক্তন একাদেমিক ডিন ডাঃ আব্দুল করিম বরভূঁইয়া ।
তার হাতে মসজিদ নির্মাণের জন্য খামে করে নগদ অর্থ তুলে দিচ্ছেন বাংলাদেশী পড়ুয়া, মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম সায়েম।

মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম সায়েম বাংলাদেশের খুলনা জেলার বাসিন্দা, সে Indian Council for Cultural Relations এর অধিনস্ত স্কলারশিপের মাধ্যমে ২০২০ সালে শিলচর NIT তে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পরতে আসে। এবং এখানে এসে উগ্র ইস্লামিক চিন্তাধারা ছড়িয়ে দিতে অন্যান্য বাংলাদেশী ও ভারতীয় মুসলমান পড়ুয়াদের নিয়ে গড়ে তোলে এক নেক্সাস।
২০২৪ সালে B Tec সম্পন্ন করে বাংলাদেশ ফিরে যাওয়ার পূর্বে মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ অধ্যাপকের উপস্থিতিতে মোটা অংকের বিদেশি আর্থিক অনুদান প্রদান করে যায় যা ভারতীয় Foreign Contribution (Regulation) Act উলঙ্ঘন করে।
২. ইনি হচ্ছেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর HOD তথা Planning & Development এর প্রাক্তন ডিন) ডাঃ মকদিস আলী আহমেদ।
৩. ইনি হচ্ছেন কেমিস্ট্রি বিভাগের প্রাক্তন (HOD) মো. আহমারুজ্জামান
৪. ইনি হচ্ছেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অদ্যাপক ড. মনোয়ার হোসেন
৫. ইনি হচ্ছেন, অফিস কর্মী মুশারফ হোসেন বরভূঁইয়া, যে নিকি মিরাজুল ইসলাম সায়েমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত)
ওপর দিকে
বয়েজ হোস্টেল ৯ সি (9 C) এবং হোস্টেল ৮ (8)-এ নামাজ পড়ার ব্যবস্থা এবং মুসলিম ছাত্রদের জন্য হালাল মাংস বরিবেশন করে দেওয়া ব্যক্তি হচ্ছেন ইলেক্ট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর wasim Arif।

সম্প্রতি কেম্পাসে মদ- গাঁজা সেবন করা সহ গুন্দাগরি চালানর দায়ে বহিস্কার করা হয় ৫ বাংলাদেশী পড়ুয়াকে। এমন অবস্থায় বহিষ্কৃত পড়ুয়াদের মধ্যে একজন আসাম CMO কে অভিযোগ করেন মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম ও ৫ অধায়পকের মধ্যে আর্থিক লেন্দেনের বিতর্কিত ফট দিয়ে। অভিযোগকারীর প্রশ্ন, “মদ গাঁজা খাওয়ার দায়ে যদি বহিষ্কার করা হয়, তাহলে মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলামের ক্ষেত্রে কেন আপস করা হচ্ছে?”
এই অভিজগের ভিত্তিতে নরে চরে বসে কাছাড় পুলিশ। নুমাল মহত্তের নির্দেশে গত ৮ অক্টোবর NIT তে হানা দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুব্রত সেন। অভিযুক্ত অধ্যাপকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সামন জারি করেন সিনিয়র পুলিশ সুপার নুমাল মহত্ত। এবং সামন পেয়ে পুলিশের কাছে হাজিরা দেন কয়েকজন অভিযুক্ত অধ্যাপক।
সমস্ত ঘটনার সংবেদনশীলতা আচ করতে পেরে সোমবার শিলচর NIT তে হানা দেয় গুয়াহতি থেকে আগত আসাম পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম। এবং অভিযুক্ত পাঁচ অধায়পক্কে জেরা করে এই তদন্ত কারি দল।
শিলচর NIT তে দুদিন যাবত আস্থানা গেরে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন FCRA উলঙ্ঘন করে বাংলাদেশী পড়ুয়ার কাছ থেকে মসজিদ নির্মাণে আর্থ সংগ্রহ। বয়েজ হোস্টেলে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করেদেওা এবং হোস্টেলে হালাল মাংস পরিবেষণ করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে গুয়াহাটি থেকে আগত তদন্তকারী দল্টি।



