বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রতিক্রিয়ার দেখা দিয়েছে
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
অসমে হাতি-মানুষের সংঘাত সমানে অব্যাহত রয়েছে। মানুষের নৃশংসতার বলি হয়ে করুণ মৃত্যু হয়েছে আরও এক বুনো হাতির। ঘটনা গোয়ালপাড়া জেলার রংজুলিতে সংগঠিত হয়েছে। এ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে দ্বিতীয় বুনো হাতির।
মঙ্গলবার কন্যাকুচি বনাঞ্চলের কাছে খেড়পাড়া গ্রামের ধানখেতে বিদ্যুৎ পরিবাহী তারের সংস্পর্শে এসে একটি হাতিটির মৃত্যু হয়েছিল। এ ঘটনার রেশ কাটতে না-কাটতে আজ বুধবার আরেকটি হাতির বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জেলায় সংশ্লিষ্ট মহলে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা বন দফতর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ধানখেতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যে বুনো হাতির মৃত্যু হয়েছিল, সেই দলে ছিল আজকের নিহত হাতিটি। সে গতকালই বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে আহত হয়েছিল। ফলে আজ সে মৃত্যুবরণ করেছে। আহত হাতিটি বিদ্যুতের ছোবলের যন্ত্ৰণা সহ্য করতে না পেরে এবং প্ৰাণের ভয়ে জঙ্গলে চলে যায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। প্রচণ্ড যন্ত্ৰণায় ছটফট করে করুণ মৃত্যু হয় তার। সূত্রের দাবি, আহত হাতিটির চিকিৎসার জন্য চিকিৎসককে খবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে হাজির হওয়ার আগেই প্রাণ ত্যাগ করে আহত হাতিটি। এদিকে গোটা ঘটনা সম্পৰ্কে রংজুলি থানায় এফআইআর করেছে বন দফতর।
বুনো হাতির হাত থেকে সোনার ফসল ধানকে রক্ষা করতে খেতের চারপাশে বিদ্যুৎ পরিবাহী তার লাগানো হয়েছিল। ওই তারের সংস্পর্শে এসেই দুই হাতির মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিককালে গোয়ালপাড়া জেলার রংজুলি এলাকায় হাতি ও মানুষের সংঘাত তীব্ৰ রূপ ধারণ করেছে। কখনও হাতি মানুষ মারছে, আবার কখনও মানুষের হাতে মারা যাচ্ছে হাতি। এ ধরনের হাতি-মানুষের সংঘাত বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অরণ্য সুরক্ষা সমিতি নামের বন ও পরিবেশপ্রমী সংগঠন।


