খাওয়াটাই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক মানুষের জীবিকা: স্বপন দেবনাথ
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
ভোজন রসিক বাঙালি। কবজি ডুবিয়ে খেতে পছন্দ করে না এমন বাঙালি অন্তত খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। যে কোনও অনুষ্ঠানেই তাই খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন থাকবেই। আর কার্যত প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হয়েছে, ক্রমেই জমে উঠছে খাদ্য উৎসব বা খাদ্য মেলা। শুরু থেকে শেষ শুধুই খাওয়া।
শুধু বাঙালি না, সব ধরনের মানুষের সমাগমেই মঙ্গলের সন্ধ্যায় জমে উঠেছে ‘আহারে বাংলা’। মেলার মূল উদ্যোক্তা রাজ্যের প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, খাওয়াটাই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে একাধিক মানুষের জীবিকা। তাঁর কথায়, ‘রন্ধনও একটা শিল্প। বিভিন্ন বেসরকারি, সরকারি প্রতিষ্ঠান এই মেলার সঙ্গে যুক্ত। যারা খাওয়ার তৈরি করছে তারা যেমন উপকৃত হচ্ছে। তেমনই এর সঙ্গে যুক্ত কৃষক, ডিম, মাংস যারা জোগান দিচ্ছেন তাঁরাও উপকৃত হচ্ছেন।’ পাশাপাশি দেশি, বিদেশির পাশাপাশি আধুনিক খাওয়ারও রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। গত চার বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাণীসম্পদ বিকাশ বিভাগ আয়োজন করছে এই উৎসব। সেন্ট্রালপার্কে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পূর্নেন্দু বসু, প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এবং বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে খাদ্যমন্ত্রী জানান, এই মেলা এক অভিনব উদ্যোগ। আগামী দিনে দেশে অন্যতম জায়গা করে নেবে বলেও জানান তিনি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন, সবার জন্য খাদ্য। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে খাদ্য দফতর।


