কাছাড় পুলিশের কাছে ধৃত চার বাংলাদেশি, বাজেয়াপ্ত বহু অবৈধ ও আপত্তিকর নথিপত্র

< 1 - মিনিট |

ধৃতরা সাধারণ মানুষকে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে পরিচিতি দিয়ে সময় সময় বিভিন্ন কোম্পানির সিম ব্যবহার করত। পুলিশ তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল হ্যান্ডসেট, এটিএম কার্ড ইত্যাদি বাজেয়াপ্ত করেছে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু জাল আরবি নোট, চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন জাল নথিপত্র

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

কাছাড় পুলিশের জালে পড়েছে চার বাংলাদেশি। ধৃত চার ব্যক্তি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তাদের নান রিপন খান (৩২), মহাম্দ আসাদ-উদ জামান (৩৯), সুমন ফকির (৩০) এবং জামাল মুন্সি। এছাড়া এক জন পালিয়ে গেছে। তার নাম নাম কবির মহম্মদ সরদার।

পুলিশের তথ্য, এরা সবাই বৈধ পাসপোর্ট নিয় ভারতে প্রবেশ করেছে। তাই বিদেশি তকমা লাগানো যাবে না। ‌তাদের ধরা হয়েছে সৌদি আরবের টাকা দেখিয়ে বরাক উপত্যকার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকে অর্থ লুটের অভিযোগের ভিত্তিতে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা ২০১৬ সাল থেকে ভারতে পায়ই যাতায়াত করছে। প্রতি দু মাসে একবার ভারতের ভিসা নিয়ে আসা-যাওয়া করে এরা। তাদের আস্তানা ছিল শিলচরের রাঙ্গিরখাড়ি এলাকায় মনসা হোটেল। পাঁচ দলের চারজনকে ধরতে পেরেছে পুলিশ।

পুলিশের বক্তব্য, এই চক্রটি গ্রামের মানুষকে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ লোপাট করতো। ধৃতরা সাধারণ মানুষকে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে পরিচিতি দিয়ে সময় সময় বিভিন্ন কোম্পানির সিম ব্যবহার করত। পুলিশ তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল হ্যান্ডসেট, এটিএম কার্ড ইত্যাদি বাজেয়াপ্ত করেছে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু জাল আরবি নোট, চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন জাল নথিপত্র। তাদের সূত্র ধরে অনেক বিষয়ের তথ্য ফাঁস করতে পারবে বলে ধারণা করছে পুলিশে।

এখানে উল্লেখ্য, ভারতের দু’লক্ষ টাকা দিলে সৌদি আরবের এক লক্ষ রিয়াল পাইয়ে দেয় তারা। কারণ এক লক্ষ সৌদি রিয়ালের ভারতীয় মূল্য ১৯ লক্ষ টাকা। এভাবেই মানুষকে ঠকানোর একটি চক্র চালাত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক। ২০১৬ সাল থেকে তারা এ কাজে এখানে নিয়োজিত, জানিয়েছে পুলিশ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *