অবশেষে রহস্য উদঘাটন, হর্ষই আসল বাবা নবজাত শিশু কন্যার

< 1 - মিনিট |

স্বপ্না মৈত্র বাস্তবকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন। তিনি স্বীকার করে নেন, হর্ষের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু দাম্পত্য অশান্তির কারণে তিনি উক্ত যুবকের সঙ্গে বেশ কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন না

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

সদ্যজাত কন্যার পিতৃত্বের দাবি নিয়ে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন তিন জন ব্যক্তি। যার জেরে রবিবার থেকেই সদ্যোজাত শিশু কন্যার আসল বাবা কে, তা নিয়ে দন্ধে পড়েছিলেন দক্ষিণ কলকাতার গাঙ্গুলিবাগানের আইরিস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কলকাতা পুলিশও। অবশেষে উদ্ধার হল সদ্যজাত কন্যার আসল বাবার পরিচয়। রবিবার রাত থেকে জলঘোলা আরম্ভ হলেও অবশেষে কাটল জট। মঙ্গলবার রহস্য কাটিয়ে সামনে এল ঐ শিশু কন্যার আসল বাবা|

শিশু জন্মানোর পর থেকে তিন যুবক হাসপাতালে এসে নিজেদের ওই শিশুর ‘বাবা’ হিসাবে দাবি করেন। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খবর দেয় নেতাজি নগর থানায়| প্রথম দিকে ঐ শিশু কন্যার মা মুখে কুলুপ আঁটলেও পুলিশের নিরন্তর জিজ্ঞাসাবাদের পর শিশু কন্যার মা স্বপ্না মৈত্র বাস্তবকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন। তিনি স্বীকার করে নেন, হর্ষের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু দাম্পত্য অশান্তির কারণে তিনি উক্ত যুবকের সঙ্গে বেশ কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন না। সন্তানসম্ভবা অবস্থায় তিনি চিকিৎসার জন্য গাঙ্গুলিবাগানের ওই হাসপাতালের কাছে রবীন্দ্রপল্লিতে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। স্বপ্না মৈত্রর  আসল বাড়ি যদিও হুগলির উত্তরপাড়ায়। গত শনিবার তাঁর বন্ধু দীপঙ্কর পাল তাঁকে আইরিস হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রে স্বামী হিসাবেই সই করেন। দীপঙ্করবাবু চাননি হর্ষ গোটা বিষয়ের মধ্যে যুক্ত হোক। অন্য দিকে হর্ষ দাবি করেন, তিনি স্বপ্নার হোয়াটস্অ্যাপ আপডেট দেখে জানতে পারেন যে তাঁর স্ত্রী কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। জানতে পারার পরই তিনি হাসপাতালে আসেন নিজের মেয়েকে দেখতে। অন্যদিকে, স্বপ্না স্পষ্ট করে বলেননি, কেন আত্মীয় হিসাবে সই না করে দীপঙ্কর নিজেকে স্বপ্নার স্বামী হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন?  তবে প্রদীপ রায় নামে তৃতীয় ব্যক্তি সোমবার নিজেকে ওই শিশুকন্যার বাবা বলে পরিচয় দিলেন কেন তা এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। সেই নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *