নয়াগ্রাম ব্লকের পাতিনা গ্রামপঞ্চায়েতের উপরপাতিনা গ্রাম সহ এলাকার ফুলবনি, দামোদরপুর গ্রাম গুলি ফি বছর সুবর্নরেখা নদীর জল বাড়লে প্লাবিত হয়। গ্রামে জল ঢুকে গিয়ে দরিদ্র মানুষ গুলির ঘর বাড়ি নষ্ট হয়ে যায়
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
সুবর্ণরেখা নদী তীরবর্তী গ্রাম গুলিকে রক্ষা করতে পাড় বাঁধাইয়ের দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা । গত বছর বন্যাতে হারিয়েছিলেন ভিটে বাড়ি। দাবী মত নদীর পার বাধাই এর কাজ শুরু হলেও তা মাঝ পথে বন্ধ হয়ে যায়। অর্ধসমাপ্ত কাজের জেরে আর বেশি করে সমস্যা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষ জন তাদের দাবি জানিয়েছিলেন স্থানীয় বিধায়কের কাছে । এবার সেই বিধায়ক নদীভাঙন রোধে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিলেন। নয়াগ্রাম বিধান সভার তৃণমূল বিধায়ক দুলাল মুর্মু মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সরাসরি চিঠি দিয়েছেন। তার আশা এববার নদী ভাঙনের কাজ শুরু হয়ে শেষ হবে।
নয়াগ্রাম ব্লকের পাতিনা গ্রামপঞ্চায়েতের উপরপাতিনা গ্রাম সহ এলাকার ফুলবনি, দামোদরপুর গ্রাম গুলি ফি বছর সুবর্নরেখা নদীর জল বাড়লে প্লাবিত হয়। গ্রামে জল ঢুকে গিয়ে দরিদ্র মানুষ গুলির ঘর বাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। অনের ঘর নদীর জলের তলায় চলে যায়।চাষের জামিও নদীর তলে চলে যায়। সুবর্নরেখা নদীর পারে বসবাসকারী মানুষ গুলি এক চরম দুর্ভোগের শিকার হন।
প্রশাসনের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে সেচ দফতরের উদ্যোগে এই এলাকায় নদী পার বাধাই এর কাজ শুরু হয়েছিল। খোড়া খুড়ি থকে শুরু করে মাটি সমান করার কাজ শুরু হয়। কিন্তু হঠাৎ কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। নয়াগ্রামের বিধায়ক দুলাল বাবু মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে জানিয়েছেন হঠাৎ করেই কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। তিনি জানিছেন মূলত পাথর না পাওয়ার জন্যই নদীর পার বাধাইয়ের কাজটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বর্ষায় নদীর বাড়লেই আবারও দরিদ্র মানুষ গুলির গৃহহীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এই বিষয়ে নয়াগ্রামের বিধায়ক দুলাল মুর্মু বলেন “আমি মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চিঠি দিয়েছি।তাঁকে অনুরোধ করেছি উপরপাতিনা এলাকায় যাতে সুবর্নরেখা নদীর পার বাধাইয়ের কাজটি পুনরায় শুরু করা যায়।”


