প্রিমিয়র লিগের দলটির হয়ে ৩৬টি ম্যাচে ঘানা তারকার নামের পাশে রয়েছে ১১টি গোল। তবে কেরিয়ারে গিয়ান সেরা সময় কাটিয়েছেন আল আইন এফসি’তে
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
আসন্ন মরশুমে বড়সড় চমক দিল আইএসএলে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড ফ্র্যাঞ্চাইজি। নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের ফুটবল ইতিহাসে তো বটেই, এমনকি আইএসএল পঞ্চম সংস্করণে সম্ভবত জুড়ে ঘানার জার্সি গায়ে চার-চারটি বিশ্বকাপ খেলা আসামোয়া গিয়ান। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে ঘানা তথা আফ্রিকার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলস্কোরারকে দলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করল আইএসএল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
গত জুলাইয়ে তুরস্কের ক্লাব কাইজারিস্পোরের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর থেকে ফ্রি ফুটবলার ছিলেন অতীতে সান্ডারল্যান্ডের হয়ে খেলা গিয়ান। প্রিমিয়র লিগের দলটির হয়ে ৩৬টি ম্যাচে ঘানা তারকার নামের পাশে রয়েছে ১১টি গোল। তবে কেরিয়ারে গিয়ান সেরা সময় কাটিয়েছেন আল আইন এফসি’তে। ২০১১-১৫ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ক্লাবটিতে প্রায় একশোর কাছাকাছি গোল করার পাশাপাশি এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও জাত চেনান বছর তেত্রিশের এই ফুটবলার।
দেশের জার্সি গায়ে ১০৭ ম্যাচে ৫১ গোল রয়েছে এই ফরোয়ার্ডের নামের পাশে। ২০০৩ মাত্র ১৭ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক সার্কিটে অভিষেক ম্যাচেই গোল পেয়েছিলেন গিয়ান। এরপর থেকেই ঘানার জাতীয় দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তিনি। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪ এবং ২০১৮ দেশের জার্সি গায়ে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ২০১০ দেশকে বিশ্বকাপের নক-আউট পর্যায়ে তুলতেও বড় ভূমিকা নেন গিয়ান। কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে একটি গোলও আসে তাঁর পা থেকে। যদিও ঊরুগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয় ঘানাকে।


