বিদ্যালয়কে কসাই খানায় পরিণত করার অভিযোগ এনে মেজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত দাবি করে কাছাড় জেলা প্রশাসনকে স্মারকলিপি প্রদান করল সোনাইর বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন বড়ভূইয়া
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
সোনাই : কাছাড় জেলার সোনাই বিধান সভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জ্ঞান বিকাশ ইংলিশ স্কুল,হাই স্কুল ও সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের বৈধতা নিয়ে এবার প্রশ্ন উত্থাপন করল স্থানীয় বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন বড়ভূইয়া।বিদ্যায়গুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত সাপেক্ষে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়ে বুধবার কাছাড়ের জেলা শাসক মৃদুল যাদবের হাতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তিনি।
সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আফতাব উদ্দিন বড়ভূইয়া জানান,সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ভাবে তিনটি বিদ্যালয় চালাচ্ছেন স্বাস্থ্য বিভাগের জনৈক কর্মী আনিমূল হক লষ্কর।সরকারি কর্মচারী হয়েও নিজের কর্তব্য ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়গুলো দেখাশোনা করছেন তিনি। পড়াশোনার নামে বিদ্যালয়গুলোতে চলছে নানা দুর্নীতি।
এই বিদ্যালয়ের ১ম বর্ষে পড়াশোনা করছে তার পুত্র গত কিছুদিন আগে কতিপয় দুষ্কৃতি বিদ্যালয়ের বারান্দায় বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর ভাবে আহত করলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে সেই দুষ্কৃতিদের রহস্যজনক ভাবে আড়াল করে রেখেছে বলে অভিযোগ আফতাব উদ্দিনের এই বিষয়ে সোনাই থানায় মামলা দায়ের করার পর ও কোন ন্যায় বিচার পাননি।
তিনি আরো অভিযোগ করে জানান ২০২৫ সালে ১ম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু সেই বিদ্যালয়ের কলা বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় বসতে পারেনি।কারণ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে পরীক্ষার নামে ফিস আদায় করে সরকারি কোষাগারে তা জমা না করে অর্থ আত্মসাৎ করায় পড়ুয়াদের এডমিট কার্ড আসেনি।
অথচ সেসব ছাত্র-ছাত্রীরা বর্তমানে ২য় বর্ষে রিতীমত ক্লাস করছে। তিনি আরও জানান, সেকেন্ডারী স্কুলের অধ্যক্ষ হতে হলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ের বর্তমান অধ্যক্ষ জয়দীপ চক্রবর্তীর শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু তানিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেছেন তিনি। গোটা বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এনে বিদ্যালয়গুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত সাপেক্ষে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন আফতাব উদ্দিন বড়ভূইয়া।
Promotional | Subscribe KRC TIMES e-copy



