স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
অজিত দাস
শিলচর : বেঁচে থাকার জন্য শহরে মেম্বারশিপ ড্রাইভ শুরু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে শিলচর টাউন ইলেকট্রিক অটো ওনার্স এবং ড্রাইভার্স এসোসিয়েশন। স্থানীয় কাঁঠাল পয়েন্ট সংলগ্ন এক অনুষ্ঠান ভবনে আগামী রবিবার থেকে এসোসিয়েশনের সদস্য পত্র প্রদানের কাজ শুরু করা হবে বলে শুক্রবার আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন তাঁরা।
বাইরের অটো এককথায় বাইরেই থাকবে বলে এদিন মন্তব্য করেছেন তাঁরা। বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসোসিয়েশনের সদস্যরা জানান,বাইরের অটো রিক্সা শহরে ভেতরে প্রবেশ করার বিষয়টি নিয়ে তাঁরা প্রয়োজনে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার ও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।শহরকে যানযট মুক্ত রাখতে শহরের অটোরিকশা চালকদেরকেই শুধু এসোসিয়েশনের সদস্য পত্র তুলে দেওয়া হবে।
শিলচরের ট্রাফিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিগত দিনেও তাঁরা সভা-সমিতির মাধ্যমে আলোচনা করার পাশাপাশি জনসাধারণের মতামত গ্রহণ করেছেন। এবং প্রত্যেক থেকে এসোসিয়েশন ভালোই সাড়া পেয়েছে।২০১৬ সালে পেট্রোল অটো নিয়ে একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন শহরের সাধারণ মানুষ।তখনও এসোসিয়েশন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।
এবং প্রশাসনের সহায়তায় তাঁরা তখন সাফল্য ও পেয়েছিলেন।শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে নাকা চোকি বসানোর ও ব্যবস্থা করেছিল প্রশাসন।তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসন পুণরায় সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করলে শহরকে কিছুটা হলেও যানজট মুক্ত করা সম্ভব হবে বলে এদিন আশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।শিলচর পুর নিগমের পার্কিং ব্যবস্থা নিয়েও এদিন সোচ্চার হয়েছেন এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা।
শিলচর এবার শহরে উন্নিত হওয়ার পর স্থানীয় ক্যাপিটাল পয়েন্ট থেকে রাঙিরখাড়ি পর্যন্ত জাতীয় সড়কে অন্তর্গত হয়েছে। এবং সেটা পুর্ত বিভাগের আওতায় পড়ে। তবে শিলচর পুর নিগম,পুর্ত বিভাগের সড়কে কিভাবে পার্কিং ব্যবস্থা করতে পারে, সেটা নিয়েও এদিন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা।শিলচর নরসিং টোলায় পুর নিগমের নিজস্ব জায়গা রয়েছে, সেখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে শিলং পট্টি সহ বেশ কিছু এলাকা যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
এদিকে শহরের ফুটপাত গুলোও বেশির ভাগই দোকানদারদের দখলে রয়েছে,এবং রাস্তাঘাট রয়েছে পুর নিগমের পার্কিংয়ের দখলে ,এই অবস্থায় মানুষ কিভাবে চলাফেরা করবেন কি করে?প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা।গোটা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে তুলে ধরে অতি সত্বর সিস্টেম বদলানোর আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। তাছাড়া শীঘ্রই ট্রাফিক এডভাইজারী কমিটির বৈঠক ডেকে শহরকে যানযট মুক্ত করতে একটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।



