গীতা পাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি আইনজীবী মহলের
অজিত দাস
শিলচর : শহরজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের কেন্দ্র স্বঘোষিত সমাজসেবী গীতা পাণ্ডে। আদালতকে ঘিরে তাঁর কটূক্তি এমন আগুন লাগিয়েছে, যার ধোঁয়া এখন ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের আকাশে। আইনজীবীরা সরাসরি বলছেন—এটি আদালত অবমাননার শামিল, আর এর শাস্তি কারাদণ্ড ছাড়া কিছুই নয়।
শিলচর বার লাইব্রেরির আইনজীবীরা একযোগে নিন্দা জানিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, যদি আদালত টাকা নেয়, প্রমাণ দিন। না হলে আইনের সামনে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিন। তাদের মতে, বিচারব্যবস্থার মর্যাদাকে ছোট করে এমন মন্তব্য সহ্য করার মতো নয়। ভবিষ্যতে যাতে কেউ আদালতের প্রতি এভাবে আঙুল তুলতে না পারে, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
অভিযোগের ঝড় এখানেই থামছে না। কলেজ রোডের বাসিন্দা বাবলি দাসসহ একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, সমস্যা মেটানোর নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন গীতা পাণ্ডে। কিন্তু সমাধান তো দূরের কথা, উলটে সমস্যা আরও বাড়িয়েই দিয়েছেন। যেন তাঁর ঘরটাই ছিল অবৈধ আদালত! মানুষের ক্ষোভ এখন চূড়ান্ত। সামাজিক মাধ্যমে চলছে একটাই দাবি, গীতা পাণ্ডের শেষ ঠিকানা জেল!
আইনজীবীরা সতর্ক করে বলছেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নামে কিছু ব্যক্তি জনদুর্দশাকে ব্যবসার খাতে পরিণত করছেন। সমস্যার সমাধান চাইলে আদালতে যান, আইনের পথেই হাঁটুন—মধ্যস্থতাকারীর ফাঁদে নয়। এখন শহরের চোখ প্রশাসনের দিকে।
বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে কী বার্তা দেবে তারা? গীতা পাণ্ডের বিরুদ্ধে কোন পথে এগোবে তদন্ত? ভুক্তভোগী মানুষের একটাই বার্তা স্পষ্ট, আইনকে অপমান করলে, তার শেষ সাজা আইনই নির্ধারণ করে দেবে।
Promotional | North East Integration Rally



