প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে দেশে আনার আশা বাংলাদেশের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সমীরণ রায়
ঢাকা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার চায় ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাক। আমরা এখনো চাই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ভারত সরকার তাকে (শেখ হাসিনা) ফেরত পাঠাবে। আমরা তো চাই তিনি বিচারের মুখোমুখি হোন।রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আসবেন বলে বলেছেন, আমরা বিভিন্ন মিডিয়াতে জানতে পেরেছি। ওনার ট্রাভেল পাস চাওয়ার ক্ষেত্রে আলোচনা হচ্ছে, এ ব্যাপারে আপনাদের বাংলাদেশের প্রস্তুতি বা কোনো তথ্য আছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমি আরও অনেক আগে বলেছি।

আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে তার এক্সট্রাডিশনের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি অনেক আগে, রিপিটেডলি। আমরা এখনো চাই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তিনি এক্সট্রাডিশন চুক্তি ইন বিটুইন (দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী) মানে এক্সট্রাডিশন ট্রিটি ইন বিটুইন টু কান্ট্রিস (দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি) এই বিধান মতে ভারত সরকার তাকে ফেরত পাঠাবেন।
আমরা তো চাই তিনি বিচারের মুখোমুখি হোন।এসমূ পাসপোর্ট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাসপোর্টে আগেরমতো একসেপ্ট ইসরাইল শব্দটা যুক্ত করবো। এটা বাংলাদেশের গণমানুষের চাহিদাও বটে। পাসপোর্টে আরও বিভিন্ন বিষয় ভেতরে যেমন ভেতরে ভিসা পেজ থাকে সেগুলোর মধ্যে একটা ব্যক্তিতান্ত্রিক চর্চা লক্ষ্য করেছি।
যেটা বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগণের এবং কালচারকে প্রতিনিধিত্ব করে না। আমরা দেশের মানুষের চাহিদা অনুসারে সাজানোর চেষ্টা করেছি। যেমন ভবিষ্যতে মুদ্রার মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠদের চেহারা দেখতে পাবেন। একই সাথে আমরা পাসপোর্টে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ধারণ করতে চাই। আরও অনেক বিষয় আছে যেমন টাঙ্গুয়ার হাওর, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতকে নির্মোহভাবে উপস্থাপন করতে চাই।
বিএসআরএফ’র সভাপতি মাসউদুল হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।


