দশেরা ও দীপাবলির আগে উৎপাদনশীলতা-সংযুক্ত বোনাসে সায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার; সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মেয়াদও ২০৩০-৩১ পর্যন্ত বাড়ল, নতুন নাম পেল একাধিক পেনশন প্রকল্প
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
নয়াদিল্লি:উৎসবের মরসুমে প্রায় ১১ লক্ষ রেলকর্মীকে ৭৮ দিনের বেতনের সমতুল্য উৎপাদনশীলতা-সংযুক্ত বোনাস (পিএলবি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। বোনাস বাবদ মোট ২,০০৯.৬১ কোটি টাকা খরচ হবে।
দশেরা ও দীপাবলির আগে যোগ্য রেলকর্মীদের এই বোনাস দেওয়ার রীতি রয়েছে। উৎসবের সময় কর্মীদের আর্থিক সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি রেলের উৎপাদনশীলতায় তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেও এই অর্থ প্রদান করা হয়।
সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ল
এ দিন জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির (এনএসএপি) মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়িয়ে ২০৩০-৩১ পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই প্রকল্পে মোট ৫৩,৪২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সংশোধিত কর্মসূচির নতুন নাম হবে ‘প্রধানমন্ত্রী সামাজিক সহায়তা যোজনা’।
প্রতিবন্ধী পেনশন প্রকল্পেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৭৯ বছর পর্যন্ত বয়সি যোগ্য উপভোক্তারা মাসে ৩৭৫ টাকা এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সিরা মাসে ৬২৫ টাকা করে সহায়তা পাবেন। পাশাপাশি, পেনশনের যোগ্য হতে প্রতিবন্ধকতার ন্যূনতম মাত্রা ৮০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে।
একাধিক পেনশন প্রকল্পের নাম পরিবর্তন
সামাজিক কল্যাণ প্রকল্পগুলির পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে কয়েকটি পেনশন ও আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের নামও বদলানো হয়েছে।
ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় বার্ধক্য পেনশন প্রকল্পের নতুন নাম হচ্ছে ‘প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাবস্থা পেনশন যোজনা’। ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় বিধবা পেনশন প্রকল্পের নাম বদলে হবে ‘প্রধানমন্ত্রী বিধবা পেনশন যোজনা’।
একইভাবে, ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় প্রতিবন্ধী পেনশন প্রকল্পের নতুন নাম ‘প্রধানমন্ত্রী দিব্যাঙ্গজন পেনশন যোজনা’ এবং জাতীয় পরিবারিক সুবিধা প্রকল্পের নাম হবে ‘প্রধানমন্ত্রী পরিবার লাভ যোজনা’।
রেলকর্মীদের বোনাসের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধি ও পেনশন প্রকল্পে পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তগুলি উৎসবের মরসুমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে সামনে এসেছে।


