১০০ দিনের প্রকল্পের বিভিন্ন কাজে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলের নজর কেড়েছে অন্ডাল ব্লক। কখনও মাছ চাষ। কখনও আবার উদ্যান পালন। এবার নানারকমের ফলের চাষে নজির সৃষ্টি করল
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
সুস্বাদু আমের জন্য মলদার ওপর ভরসার দিন হয়তো শেষ। এবার খনি অঞ্চলের আমই চাহিদা মেটানোর পথ দেখাবে। এক’শ দিনের প্রকল্পে টমেটো, লবঙ্গ, দারচিনির পর আম চাষে নজির গড়ল শিল্পাঞ্চলের অন্ডাল ব্লকের কাজোড়া পঞ্চায়েত। চলতি বছরের ফলনে লাভের আশা দেখল বরাত পাওয়া স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা।
১০০ দিনের প্রকল্পের বিভিন্ন কাজে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলের নজর কেড়েছে অন্ডাল ব্লক। কখনও মাছ চাষ। কখনও আবার উদ্যান পালন। এবার নানারকমের ফলের চাষে নজির সৃষ্টি করল। খনি অঞ্চলের মাটিতে আম বাগান তৈরী করেছে ব্লকের কাজোড়া পঞ্চায়েত । ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে সেখানের বাসুকোড়া এলাকায় প্রায় দেড় হেক্টর জমিতে ১০০ দিনের প্রকল্পে তৈরি করা হয়েছে আম বাগান। মুলত আম্রপলি ও মল্লিকা দুই প্রজাতির ৬৫০ আম গাছ লাগানো হয়েছে। প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ ২ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা। মোট শ্রম দিবস ১ হাজার ৩০ দিন। তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। প্রকল্পে দায়িত্বে রয়েছে ‘সহজিয়া’ নামে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী। ১০ জনের ওই গোষ্ঠী নিজেরাই সমস্তরকম পরিচর্যা করে। এবছর প্রায় ৫ কুইন্টাল আমের ফলন হয়েছে ওই বাগানে। তাতে আনন্দে আপ্লুত গোষ্ঠীর সদস্যরা। গত এক সপ্তাহ ধরে বাগানের আম তোলার কাজ চলছে। বৃহস্পতিবার সমস্ত আম তোলার কাজ শেষ হয়।কাজোড়া পঞ্চায়েতের এনআরইজিএসের সুপারভাইজার বাবলু রুইদাস জানান,” গত বছর ৩ কুইন্টাল আমের ফলন হয়ছিল। এবার বেড়েছে। ফলন হওয়া আম বাজারে বিক্রি করে তার অর্থ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরাই পাবে।” তবে আমই শুধু নয়। পাশাপাশি পেয়ারা, বেদানা, মুসম্বি চাষও শুরু হয়েছে। সুপারভাইজার বাবলু রুইদাস জানান,” এবছরই প্রথম পেয়ারা তোলা হয়েছে প্রায় ৬০ কেজি। বছরে দুবার ফলন হবে এই পেয়ারা। প্রায় ছ’ শ পেয়ারা, ও ৫০ টি বেদানা গাছ রয়েছে। সাড়ে ছ’শ মুসম্বি গাছ রয়েছে। সেগুলিতে এবারই প্রথম ফলন দেবে।” তিনি আরও জানান,” বাগানগুলিতে ১০০ দিনের শ্রমদিবসে কাজ করানো হয়। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর পক্ষে নীতা দাস জানান,” এবছর সব মিলিয়ে প্রায় ৫ কুইন্টাল আমের ফলন হয়েছে। ওইসব আম স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়েছে। প্রথম ফলনে মুনাফা হয়েছে। আগামীদিনে স্বনির্ভরতার আশা দেখাবে।”


