উৎসবে উত্তর-পূর্ব ভারত, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এবং আলজেরিয়া, থাইল্যান্ড, প্যালেস্টাইন, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, আয়ারল্যান্ড, ফিলিপিন্স ও শ্রীলঙ্কার শিল্পীরা অংশ নেবেন।
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
ইটানগর, :অরুণাচল প্রদেশের জিরো উপত্যকায় আগামী ২৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ১৩তম জিরো সঙ্গীত উৎসব। চার দিনের এই উৎসবে ভারত ও বিদেশের ৪০-এর বেশি শিল্পী অংশ নেবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
উৎসবে উত্তর-পূর্ব ভারত, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এবং আলজেরিয়া, থাইল্যান্ড, প্যালেস্টাইন, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, আয়ারল্যান্ড, ফিলিপিন্স ও শ্রীলঙ্কার শিল্পীরা অংশ নেবেন।
ভারতীয় শিল্পীদের তালিকায় রয়েছেন সুখবীর, স্নেহা খানওয়ালকর, মিডিভাল পন্ডিতজ, শক্তিশ্রী গোপালন, শঙ্কা ট্রাইব এবং পারিক্রমা। উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে অংশ নেবেন ত্রিপুরার সুকেশ শুক্লাবদ্য, মণিপুরের চিংলেইপাক কালেক্টিভ ও ইয়েলহোমি, সিকিমের ট্রাইবাল রেন, নাগাল্যান্ডের টেমসু ক্লোভার, মিজোরামের মুড স্টেশন, অসমের নোভো এবং অরুণাচল প্রদেশের ডেভিড আংগু।
এ ছাড়া বিহারের র্যাপ শিল্পী শিকরিওয়াল, কালি দুনিয়া, করণ কাঞ্চন এবং স্বরা ওজা উৎসবে অংশ নেবেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী সরওয়ার হুসেন এবং বেহালাবাদক অপূর্ব কৃষ্ণও থাকছেন অনুষ্ঠানে।
আন্তর্জাতিক শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার গায়িকা ইয়োহানি, আলজেরিয়ার ফাতি তেনিরি, প্যালেস্টাইন-ফরাসি সঙ্গীত প্রযোজক ইসাম এলিয়াস, নেপালের ফসফিনস, থাইল্যান্ডের জিওয়াইএমভি, ফিলিপিন্সের তালাহিব এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মোহের।
এবার প্রথমবারের মতো উৎসবে ‘কসমস’ নামে একটি অনানুষ্ঠানিক পরিসর চালু করা হচ্ছে। সেখানে শিল্পীরা তাৎক্ষণিক ভাবে একসঙ্গে সঙ্গীত পরিবেশন, নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় এবং পরিকল্পনাবহির্ভূত পরিবেশনায় অংশ নিতে পারবেন।
উৎসবে আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি ‘সার্কিট মিক্সার্স’-এর শেষ পর্বও অনুষ্ঠিত হবে। সুইস আর্টস কাউন্সিল প্রো হেলভেশিয়ার সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভারতের জেকেনক্স, দক্ষিণ আফ্রিকার নালেদি চাই এবং সুইজারল্যান্ডের লুয়া জুংক ও ওউয়েল অংশ নেবেন।
আয়ারল্যান্ডের লোকসঙ্গীত দল সালটেয়ার স্থানীয় শিল্পীদের সঙ্গে কর্মশালা ও যৌথ পরিবেশনায় অংশ নেবে। কালচার আয়ারল্যান্ড এবং নয়াদিল্লির আয়ারল্যান্ড দূতাবাসের সহযোগিতায় এই সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি হচ্ছে।
উৎসবে জিরোর স্থানীয় আপাতানি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যও তুলে ধরা হবে। থাকবে ঐতিহ্যবাহী দামিন্দা ফসল কাটার নৃত্য, আপাতানি উইমেন্স অ্যাসোসিয়েশন জিরোর পরিবেশনা এবং এলু বাঁশি তৈরি ও মৃৎশিল্পের কর্মশালা।
উৎসবের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ববি হানো জানিয়েছেন, নতুন শিল্পী ও সঙ্গীতের সন্ধান এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে আদানপ্রদানই জিরো উৎসবের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।


