এখনও সন্ধানহীন অনেকেই, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে যাচ্ছে দমকলের ১৮ টি ইঞ্জিন
KRC Times Desk
বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকায় একটি জুস তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। আগুন লাগার পর থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন দমকলের কর্মীরা। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮ টি ইঞ্জিন রয়েছে। গতকালের খবরে জানা যায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর সোয়া দুটো পর্যন্ত ৫২ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দমকল সূত্রে জানা গেছে। এদিন দুপুর পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি বলে খবর পাওয়া গেছে।
দমকলের এক আধিকারিক স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ৬ তলা কারখানায় প্রথমে ফ্লোরেই আগুন লেগেছিল। কারখানায় প্লাস্টিকের বোতল, এবং প্রচুর দাহ্য বস্তু মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুন ৬ তলা পর্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পরে। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে ওই কারখানা থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হন। অনেকের দেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চলছে। চার তলা পর্যন্ত পৌঁছানো গিয়েছে। আগুন লাগার সময় চার তলার সিঁড়ির দরজা বন্ধ থাকার কারণে মানুষ ছাদে উঠতে পারেননি। দরজা খোলা থাকলে হয়তো মৃত্যু কিছুটা এড়ানো যেত।
আধিকারিক আরো বলেন চার তলার উপরের দুটি ফ্লোরে এখনও আগুন জ্বলছে। কারখানার ভিতরে ৭০ থেকে ৮০ জন শ্রমিক আটকে থাকতে পারে বলে জানা গেছে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেছেন। এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ। তাদের পরিবার অপেক্ষায় রয়েছেন। যদিও আগুন লাগার কারণ দমকলের কর্মীরা এখনও জানতে পারেননি। তবে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।



