লোকসভা স্পিকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ২০ বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ

< 1 - মিনিট |

দলত্যাগ-বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অযোগ্যতার আবেদনের জবাব দেওয়ার সময়সীমা শেষ; এবার স্পিকারের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ২০ সাংসদ

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

নয়াদিল্লি: দলত্যাগ-বিরোধী আইনে অযোগ্য ঘোষণার দাবিতে করা আবেদনের জবাব দেওয়ার সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। ফলে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের বিষয়ে এখন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।

সূত্রের খবর, গত ২৬ অগস্ট ওই সাংসদদের নোটিস দিয়ে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে জবাব দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর করা হয়।

চলতি বছরের জুনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর ২০ সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন। তাঁদের অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক আবেদন করা হয়েছিল।

তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁর আবেদনের পর শীর্ষ আদালত বিষয়টি শুনতে রাজি হয় এবং সংশ্লিষ্ট সাংসদদের নোটিস দেওয়া হয়।

সূত্রের দাবি, জবাব দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোয় বিদ্রোহী শিবিরকে অযোগ্য ঘোষণার আবেদন এবং তার সম্ভাব্য আইনি ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে নিজেদের অবস্থান ঠিক করার জন্য আরও সময় পাওয়া যায়।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধও আদালতে গড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশন দুই গোষ্ঠীকে পৃথক নাম ও প্রতীক দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী পেয়েছে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবলার’ প্রতীক। বিদ্রোহী গোষ্ঠী পেয়েছে ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘খাম’ প্রতীক।

তৃণমূলের নাম ও ‘ফুল-ঘাস’ সংরক্ষিত প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা আবেদনের দ্রুত শুনানিতেও সোমবার সম্মতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

এদিকে, বর্ষাকালীন অধিবেশন শেষ হওয়ার ৪০ দিনেরও বেশি সময় পরেও সংসদের দুই কক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মুলতবি করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ অধিবেশন ডাকার সম্ভাবনা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *