পশুপালন খাতকে শক্তিশালী করতে নতুন নিয়োগ; রাজ্যের দুর্বল পশু চিকিৎসাকেন্দ্রগুলিরও দ্রুত সংস্কারের ঘোষণা
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
পাঠশালা: অসমে পশুপালন ও প্রাণিসম্পদ দফতরে শীঘ্রই ১৩০ জন ভেটেরিনারি চিকিৎসক এবং ২০০ জন পশুপালন ক্ষেত্র সহকারী নিয়োগ করা হবে। শনিবার বাজালি জেলার অভিভাবক মন্ত্রী নীলিমা দেবী এ কথা জানিয়েছেন।
বাজালি জেলাশাসকের কার্যালয়ে এক পর্যালোচনা বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, রাজ্যে পশুপালন খাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং দুধ উৎপাদন বাড়াতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও স্বনির্ভরতার সুযোগ তৈরিও সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
নীলিমা দেবী বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে গবাদি পশু পালনের বদলে বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পশুপালনে জোর দিতে হবে। কৃষকদের খামারভিত্তিক পশুপালনের দিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন।
গবাদি পশু পালকদের আর্থিক সুরক্ষা দিতে রাজ্যে পশুপালন বিমা ব্যবস্থা চালুর কথাও ঘোষণা করেন মন্ত্রী। এর মাধ্যমে রোগ, দুর্ঘটনা বা অন্য কোনও কারণে পশু হারানোর ক্ষেত্রে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা সামাল দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানান তিনি।
অসমের যেসব সরকারি পশু চিকিৎসাকেন্দ্র বর্তমানে বেহাল অবস্থায় রয়েছে, সেগুলিরও সংস্কার করা হবে। খুব শীঘ্রই পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হবে বলে জানান নীলিমা দেবী।
মৎস্যচাষের ক্ষেত্রেও সরকারি উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, যোগ্য মৎস্যচাষীদের মধ্যে মাছের পোনা ও মাছের খাদ্য বিতরণের জন্য ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, পশুপালন ও মৎস্যচাষ—দুই ক্ষেত্রকেই গুরুত্ব দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিশেষ করে বেকার যুবকদের স্বনির্ভরতার সুযোগ তৈরি করতে চাইছে সরকার।
এর আগে জেলাশাসকের কার্যালয়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর একটি পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দেন নীলিমা দেবী। পরে বাজালি থেকে গুজরাটের ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দিরে তীর্থযাত্রীদের একটি দলকে যাত্রার সূচনা করান তিনি।
অনুষ্ঠানে বাজালির বিধায়ক ধর্মেশ্বর রায় এবং জেলাশাসক মধুমিতা ভাগবতীও উপস্থিত ছিলেন।


