মানুষ বিশ্বাস করেছেন যে মোদিকে ঠেকাতে পারে একমাত্র মমতাই
KRC Times Desk
শনিবার ভোটের ফল বিশ্লেষণে বৈঠকে বসেছিল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। সেখানেই সাংবাদিক বৈঠক করে অধীর চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে জোট হয়েছিল বামফ্রন্টের সঙ্গে। আইএসএফের সঙ্গে আমাদের কোনও জোট হয়নি। আমরা বামেদের থেকে ৯২ টি আসন পেয়েছিলাম। আইএসএফ আমাদের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদে প্রার্থী দিয়েছিল। সেখানে আইএসএফ-এর নেতারা গিয়ে প্রচার করেছে। জোট হলে আইএসএফ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কি প্রার্থী দিত? আমি সেদিনও বলেছি, আজও বলছি আমাদের সঙ্গে জোট হয়েছিল সিপিএম পার্টির।’
একুশের ভোটে আইএসএফ-এর সঙ্গে কংগ্রেসের মতবিরোধ ছিল। সেই জন্য খুব একটা রাজি ছিল না কংগ্রেস। আইএসএফের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। ভোটের ফল বেরোতে দেখা যায় মাত্র একটি আসন পেয়েছে আইএসএফ।
আর ভোটে বিপর্যয়ের জন্য সেই আইএসকেই দোষারোপ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, আইএসএফ-এর সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও জোটই হয়নি। কংগ্রেস জোট করেছে শুধুমাত্র বামফ্রন্টের সঙ্গে। আইএসএফ এই জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বাম-কংগ্রেস জোট বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে বলেও দাবি করেছেন অধীর।
এরই সঙ্গে এদিন অধীর কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন মোদি বিরোধী মুখ হিসেবে মানুষ মমতা ব্যানার্জিকেই বেছে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ বিশ্বাস করেছেন যে মোদিকে ঠেকাতে পারে একমাত্র মমতাই। তাই কংগ্রেস বা সিপিএম নয়, তৃণমূলকে ভোট দিয়ে মানুষ বিজেপিকে হারিয়েছে। সংখ্যালঘুরা মনে করেছেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিলেই বিজেপিকে ঠেকানো যাবে।’ আর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচনের আগে যখন বিরোধী শক্তি একজোট হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তখন অধীরের মুখে মমতার নাম নেওয়া যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


