ভি সি সজ্জানার জানিয়েছেন, ‘পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর গত ৪ ও ৫ ডিসেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল অভিযুক্তদের। শুক্রবার ভোররাতে তদন্তের স্বার্থে ক্রাইম-স্পটে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অভিযুক্তদের। ১০ জন পুলিশ কর্মী অভিযুক্তদের ক্রাইম স্পটে নিয়ে এসেছিলেন।’
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
হায়দরাবাদে তরুণী পশু চিকিত্সককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে মৃত্যু ঘিরে তুমুল হইচই শুরু হয়েছে গোটা দেশে। অনেকেই সাবাশি দিয়েছেন হায়দরাবাদ পুলিশকে, কেউ বলেছেন অন্যায়। কিন্তু, শুক্রবার ভোররাত তিনটে থেকে সকাল ছ’টা পর্যন্ত আসলে কী হয়েছিল, তা জানালেন সাইবারাবাদের সিপি ভি সি সজ্জানার। শুক্রবার ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ কমিশনার (সিপি) ভি সি সজ্জানার জানিয়েছেন, ‘পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর গত ৪ ও ৫ ডিসেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল অভিযুক্তদের। শুক্রবার ভোররাতে তদন্তের স্বার্থে ক্রাইম-স্পটে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অভিযুক্তদের। ১০ জন পুলিশ কর্মী অভিযুক্তদের ক্রাইম স্পটে নিয়ে এসেছিলেন।’
সিপি জানিয়েছেন, ‘পুননির্মাণের সময় লাঠি দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় অভিযুক্তরা, পুলিশের কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালাতে শুরু করে। পুলিশ কর্মীরা সতর্ক করে অভিযুক্তদের আত্মসমর্পণ করতে বলেন, কিন্তু তারা কোনও কথাই শোনেনি। এরপরই আমরা গুলি চালাই এবং এনকাউন্টারে অভিযুক্তদের মৃত্যু হয়। এনকাউন্টারে দু’জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন এবং তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’ সাইবারাবাদের সিপি আরও জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের কাছ থেকে দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। পিএমই-র জন্য মৃতদেহগুলি স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এনকাউন্টার প্রসঙ্গে সি পি জানিয়েছেন, ‘আমি শুধু বলতে পারি আইন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে।’ শুধুমাত্র তরুণী পশু চিকিত্সককে ধর্ষণ ও খুন নয়, কর্ণাটকে বেশ কয়েকটি মামলাতেও তারা অভিযুক্ত। সিপি জানিয়েছেন, ‘আমাদের সন্দেহ কর্ণাটকে অন্যান্য মামলাতেও জড়িত রয়েছে অভিযুক্তরা, তদন্ত চলছে।’ তেলেঙ্গানা এনকাউন্টারের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ প্রসঙ্গে সি পি জানিয়েছেন, ‘রাজ্য সরকার, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আমরা জবাব দিতে প্রস্তুত।’


