মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পরেই নিখোঁজ; আজারা এলাকায় হাসপাতালের কাছে উদ্ধার দেহ, মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
গুয়াহাটি: গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করল পুলিশ। গুয়াহাটির আজারা থানার অন্তর্গত গারাল এলাকায় একটি হাসপাতালের কাছে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে মাকে ফোন করে এক বন্ধুর বিরুদ্ধে হোমস্টেতে তাঁকে মারধরের অভিযোগ করেছিলেন ওই ছাত্রী বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মৃতার নাম নিমিষা ঠাকুরিয়া। তিনি গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ বছরের একটি সমন্বিত পাঠক্রমে পড়াশোনা করছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১১টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন নিমিষা। ধরাপুরের ‘রুদ্রা’স কিচেন’ নামে একটি হোমস্টেতে এক বন্ধুর সঙ্গে রাত কাটানোর কথা ছিল তাঁর।
পরে তিনি মাকে ফোন করে অভিযোগ করেন, ওই বন্ধু তাঁকে শারীরিক ভাবে মারধর করেছেন। কিছুক্ষণ পর ফোনটি কেটে যায়। এরপর নিমিষার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
মেয়ের সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে না পেরে পরিবারের সদস্যরা আজারা থানায় খবর দেন। এরপর পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। পরে গারাল এলাকায় একটি হাসপাতালের কাছে নিমিষার দেহ উদ্ধার করা হয়।
দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিমিষার শেষ ফোনকল, হোমস্টেতে তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি, কথিত হামলার অভিযোগ এবং ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে দেহ উদ্ধারের মধ্যবর্তী সময়—পুরো ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে ঘিরে বিভিন্ন সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন। তবে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ বা কথিত হামলার সঙ্গে কারও প্রত্যক্ষ যোগের বিষয়ে পুলিশ কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। তদন্ত চলছে।


