তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী

2 - মিনিট |

আমরা আত্মবিশ্বাসী, সঠিক সময়ে সব আয়োজন হবে

সমীরণ রায়

ঢাকা | বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে আবার আশাবাদ ব্যক্ত করে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। সঠিক সময়ে সব আয়োজন হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সবসময়ই ভারত সফরের স্থায়ী আমন্ত্রণ রয়েছে এবং উনিও বিষয়টি জানেন। ফলে সম্পর্কের ধারা ও সুসম্পর্ক বজায় থাকবেই।

সোমবার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন। দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ইচ্ছা একই, তা হল সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হিসেবে থাকা। আমরা সবসময় বলি, কেবল বর্ডার শেয়ার করি না, শেয়ার করি একই স্বপ্ন। দুটো দেশই স্বাধীন, সার্বভৌম ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের আলোচনার পূর্ব শর্ত প্রসঙ্গে হাই কমিশনার বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস ও কাজ থামার কোনো কারণ নেই। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আজ না হলেও কাল হবে, না হয় পরশু হবে। কিন্তু আমাদের কাজ ও ইনটেনশন একই থাকায় বারবার একই বিষয়ে কথার চেয়ে বাস্তব কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক চাঙ্গা রাখাটাই সবচেয়ে বেশি জরুরি।

এর আগে আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে ভারতের হাই কমিশনারের বৈঠকে পরিবেশ ও আবহাওয়া, প্রাণী সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সে প্রসঙ্গে ত্রিবেদী বলেন, বাতাস, নদী, জলবায়ু কিংবা বন্যপ্রাণীদের জন্য কোনো সীমান্ত বা ভিসার অনুমতি লাগে না। তাই সীমানাহীন এসব সংকট যৌথ উদ্যোগেই সমাধান করতে হবে।

‘ক্লিন এয়ার বা ব্লু স্কাইজের মত সুবিধা পাওয়ার পথ একদিনে তৈরি হয় না, এটি চিরকাল অব্যাহত রাখতে হবে। আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার আগেই কার্বন ক্রেডিট, সুন্দরবন রক্ষা এবং হাতি চলাচলের করিডোর ব্যবস্থাপনার মত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে দুই দেশের কর্মকর্তা পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি হবে।

এদিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুও ভারতের হাই কমিশনারের বক্তব্যের সঙ্গে ঐক্যমত্য পোষণ করে বলেন, রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়েও দুই দেশের জনগণের স্বার্থ এবং বাণিজ্যিক ও পরিবেশগত নির্ভরতা অনেক বেশি মৌলিক। ফলে কোনো পক্ষ থেকেই সহযোগিতার পথ থমকে যাবে না এবং কর্মকর্তা পর্যায়ে আলোচনা ও যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related news