কোস্ট গার্ডসুন্দরবনসহ সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন সারভেইলেন্স এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে
সমীরণ রায়
ঢাকা : পুশ-ইন প্রতিরোধে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশও (বিজিবি)। শুক্রবার কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আওতাধীন সীমান্তবর্তী এলাকার সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম ও নজরদারি জোরদার করেছে।
কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপূর্ণ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো পুশ-ইনের ঘটনা পরিলক্ষিত হয়নি। সীমান্তবর্তী এলাকায় কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে পুশ-ইন প্রতিরোধসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

Send your resume:
biswa@jigyasu.co.in
krcfoundation@gmail.com
কোস্ট গার্ডসুন্দরবনসহ সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন সারভেইলেন্স এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। তিনি পুশ-ইন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কোস্ট গার্ড জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ প্রদান করে পুশ-ইন রোধে সহযোগিতা করার জন্য সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পুশ-ইনের ১০টি পৃথক অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অবৈধ পুশ-ইনের চেষ্টা করা হলে বিজিবি তা সফলভাবে প্রতিহত করে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য পুশ-ইন ঠেকাতে সীমান্তজুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টা করলে বিজিবির টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয়। এতে অনেকেই ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়। তবে বিজিবির সতর্ক অবস্থান ও গোয়েন্দা নজরদারির কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।
বিজিবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশ-ইন প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।


