২৩ সেপ্টেম্বরের প্রেস নোট তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই প্রকাশিত হয়েছে বলে জানাল কমিশন; এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে বুধবার প্রকাশিত প্রেস নোটটি তিন সদস্যের পূর্ণ কমিশনের অনুমোদনেই জারি করা হয়েছিল বলে বৃহস্পতিবার স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, প্রেস নোট প্রকাশের আগে পূর্ণ কমিশনের অনুমোদন নেওয়া তাদের নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ।
২৩ সেপ্টেম্বরের প্রেস নোট নম্বর ১১৯ তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতে প্রকাশিত হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠার পর বৃহস্পতিবার বিবৃতি দিয়ে অবস্থান জানায় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে বলা হয়, “প্রেস নোট নম্বর ১১৯, ২৩/০৯/২০২৬ তারিখে, পূর্ণ কমিশনের অনুমোদনেই জারি করা হয়েছে।”
নির্বাচন কমিশন আরও জানায়, প্রেস নোট প্রকাশের আগে পূর্ণ কমিশনের অনুমোদন নেওয়া দীর্ঘদিনের নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক রীতি। ফলে বুধবারের ওই বিবৃতি কোনও একক নির্বাচন কমিশনারের অবস্থান নয়, বরং তিন সদস্যের কমিশনের সম্মিলিত অবস্থান বলেই স্পষ্ট করেছে কমিশন।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision) নিয়ে সমালোচনার জেরে গত কয়েকদিন ধরে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তিন সদস্যের কমিশনের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতেই বুধবার প্রকাশিত প্রেস নোটে নির্বাচন কমিশন নিজেদের সাংবিধানিক অবস্থান তুলে ধরে। কমিশন জানায়, সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদ, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি এবং প্রতিষ্ঠিত প্রাতিষ্ঠানিক রীতির আওতায় তারা কাজ করে। একই সঙ্গে কমিশন উল্লেখ করে, এটি একটি বহু-সদস্যের সাংবিধানিক সংস্থা এবং নির্ধারিত সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবারের ব্যাখ্যায় মূলত সেই প্রেস নোটের অনুমোদন নিয়েই ওঠা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, প্রেস নোট নম্বর ১১৯ প্রকাশের ক্ষেত্রে তিন নির্বাচন কমিশনারের পূর্ণ অনুমোদন ছিল এবং এই ধরনের বিবৃতি জারি করা কমিশনের নিয়মিত কাজের অংশ।
এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির সমালোচনা এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যের মধ্যেই এই clarification সামনে এল। ফলে বুধবারের প্রেস নোটকে ঘিরে কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন সম্পর্কে যে প্রশ্ন উঠেছিল, বৃহস্পতিবার তার প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করল ভোট প্যানেল।


