বিভিন্ন দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সমাজকর্মী নিখিল দাসের; আরটিআইয়ের মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার দাবি, অভিযোগের স্বাধীন যাচাই হয়নি
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
শিলচর: শিলচর পুরনিগমের নির্বাচন ঘিরে এ বার প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র নিয়ে অভিযোগ উঠল। সমাজকর্মী নিখিল দাসের দাবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়নপত্রের সঙ্গে এমন শিক্ষাগত শংসাপত্র জমা দিয়েছেন, যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
নিখিলের দাবি, তথ্য জানার অধিকার (আরটিআই) আইনে পাওয়া নথি খতিয়ে দেখার পরই তিনি বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ শুরু করেছেন। তাঁর অভিযোগ, কয়েকটি ক্ষেত্রে প্রার্থীদের শংসাপত্রে এমন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নেওয়ার উল্লেখ রয়েছে, যে সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
অভিযোগের তালিকায় বিজেপি ও কংগ্রেস—দুই দলের প্রার্থীদের নাম রয়েছে বলে দাবি করেছেন নিখিল। বিজেপির প্রার্থী পাপলি কর্মকার, সুমনা দাস এবং আতাউর রহমানের মনোনয়নপত্রে থাকা শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
নিখিলের বক্তব্য, আরটিআইয়ের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি এই অসঙ্গতিগুলি চিহ্নিত করেছেন। অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে তাঁর আইনি লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তবে অভিযোগগুলি এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা তাঁদের শিক্ষাগত শংসাপত্রের বিষয়ে কী ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, কিংবা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য কী—তা প্রদত্ত তথ্যের মধ্যে পাওয়া যায়নি।
শিলচর পুরনিগমের প্রথম নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার জোরদার হয়েছে। তার মধ্যেই প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে জমা দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি নিয়ে ওঠা এই অভিযোগ নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।
অভিযোগগুলি সত্যি কি না, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির নথি, নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের যাচাই এবং প্রয়োজন হলে তদন্তের ফলই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।


