প্রতিটি বাসের বৈধ রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও বিমার নথি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ শংসাপত্র, রুট পারমিট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন থাকা বাধ্যতামূলক
কে আর সি টাইমস ডেস্ক
হাফলং: আগামী ১৭ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকে ফের চালু হচ্ছে শিলচর-হাফলং জাতীয় সড়ক ২৭ (এনএইচ-২৭) পথে যাত্রীবাহী বাস পরিষেবা। জেলা প্রশাসনের অনুমতি মেলায় বরাক উপত্যকা ও ডিমা হাসাওয়ের সদর শহর হাফলংয়ের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
জনসাধারণের দাবি এবং দুই অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে বাস পরিষেবা পুনরায় চালুর অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর আগে ১৪ অক্টোবর শিলচরে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিট থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া হয়।
তবে পাহাড়ি পথে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক শর্ত আরোপ করেছে প্রশাসন। বাস পরিচালকদের ১৯৮৮ সালের মোটর ভেহিকলস আইন-সহ প্রযোজ্য সমস্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে। প্রতিটি বাসের বৈধ রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও বিমার নথি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ শংসাপত্র, রুট পারমিট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন থাকা বাধ্যতামূলক। চালকদেরও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।
পাহাড়ি অংশে নির্ধারিত গতিসীমা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সেতু এবং রাস্তা নির্মাণ বা মেরামতির জায়গায় গতি আরও কমাতে হবে। কর্মস্থলে নিয়োজিত কর্মীদের নির্দেশ এবং রাস্তার সাইনবোর্ডও মানতে হবে।
নির্ধারিত আসনসংখ্যার বেশি যাত্রী তোলা যাবে না। অনুমোদিত পথেই বাস চালাতে হবে এবং অন্য যানবাহনের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না।
জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবহণ দফতর নিয়ম মেনে বাস চলাচল হচ্ছে কি না, তা নজরদারি করবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত নির্দেশও দিতে পারবে।
প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে, বাস পরিষেবা চালুর অনুমতি অন্য কোনও বাধ্যতামূলক রুট পারমিট বা আইনি অনুমোদনের বিকল্প নয়। শর্ত লঙ্ঘন করলে কিংবা আইন অমান্য করলে পরিষেবা চালানোর অনুমতি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।
শিলচর ও হাফলংয়ের মধ্যে বাস চলাচল পুনরায় শুরু হলে কাজ, পড়াশোনা, চিকিৎসা এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষের সুবিধা হবে। বিশেষত ব্যক্তিগত গাড়ি না থাকা যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।


