ত্রিপুরায় ফুলচাষিদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে চাইছে সরকার : কৃষিমন্ত্রী

< 1 - মিনিট |

ফুলচাষের মাধ্যমে ফুলচাষিদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে ত্রিপুরা সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

ফুলচাষের মাধ্যমে ফুলচাষিদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে৷ এক্ষেত্রে হর্টিকালচার সোসাইটি অব ত্রিপুরা রাজ্যের ফুলচাষিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে এবং যাঁরা ফুলচাষে আগ্রহী তাঁদেরকেও রাজ্য সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে৷ বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রকাননে হর্টিকালচার সোসাইটি অব ত্রিপুরা-র উদ্যোগে আয়োজিত চার দিনব্যাপী পুস্প ও বাহারী পাতার প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করে এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায়৷ তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ্যে বিয়ে, পূজা ইত্যাদি সবকিছুতেই ফুলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে৷ এজন্য প্রতিবছর বহির্রাজ্য থেকে অনেক টাকার ফুল আমদানি করতে হচ্ছে৷

এদিন তিনি বলেন, ত্রিপুরায় ফুলের ব্যাপক ব্যবহারের প্রতি লক্ষ্য রেখেই রাজ্য সরকার রাজ্যের ফুলচাষিদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে৷ কারণ আমাদের রাজ্য ছোট হলেও এখানে ফুলচাষের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে৷ তাঁর দাবি, হর্টিকালচার সোসাইটি অব ত্রিপুরা ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠার হওয়ার পর থেকে রাজ্যে ফুলচাষ উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে৷ সোসাইটি বর্তমানে আগরতলার বাইরে আরও চারটি জেলায় ফুলচাষের উন্নয়নে কাজ করছে৷ রাজ্যের প্রতিটি জেলায় সোসাইটি যেন তাদের কাজের বিস্তার ঘটায় সে ব্যাপারে হর্টিকালচারেল দফতরকে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বলেন কৃষিমন্ত্রী৷

কৃষিমন্ত্রী এদিন ভাষণে আরও বলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার রাজ্যের সৌন্দর্যায়ন ও পর্যটন ক্ষেত্রকে আকর্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে রাজ্যের দর্শনীয় স্থানগুলিকে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে৷ দেশ বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে জাতীয় সড়কের দু’পাশে বাহারি ফুলের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷ তিনি বলেন, ত্রিপুরায় প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার পরিবার ফুলচাষের সঙ্গে যুক্ত৷ যদি কেউ ফুলচাষের সঙ্গে যুক্ত হতে চান সরকার তাঁদের সব সময় সহযোগিতা করা হবে৷ রাজ্য সরকার ফুলচাষের মাধ্যমে আর্থিক সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাইছে৷

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *