মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে কাতর আর্জি জানালেন সুচরিতা ভট্টাচার্য।
অজিত দাস
শরীরের জ্বালা যন্ত্রণা দিন দিন বেড়েই চলেছে, বর্তমানে তিন চার দিন ধরে প্রকৃতির ডাক বন্ধ। ডায়ালসিস না করলে শরীরে কিছুই ভালো লাগেনা। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। “আমি এই সুন্দর পৃথিবীতে আপনাদের সঙ্গে বাঁচতে চাই। আমাকে বাঁচার সুযোগ করে দিন।” আপনারা আমাকে দয়া করে সুস্থ করে তুলুন। এই কাতর আর্জি জানালেন শিলচর বিবেকানন্দ রোডের শিববাড়ি লেনের সুচরিতা ভট্টাচার্য।
একসময়ের যে সুচরিতা রূপের বাহার প্রাণ চঞ্চল এবং অমায়িক ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত আজ তিনি মৃত্যুর সঙ্গে প্রতিমুহূর্তে পাঞ্জা লড়ছেন। দেড় বছর আগে চোখের সমস্যায় ডাক্তার দেখাতে গিয়ে ধরা পড়ে তার কিডনি বিকল। তারপর কলকাতায় চিকিৎসার জন্য গেলে ডাক্তাররা জানান কিডনি বদলাতে হবে। কিন্তু পিতৃ-হারা গরীব কন্যার এই ব্যয় সাপেক্ষ চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছেন ভাই এবং মা। হতদরিদ্র এই পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য সুগত ভট্টাচার্য। তিনি বর্তমানে চিকিৎসার ব্যয়ভার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। অথচ মাস দুই এরমধ্যেই কিডনি পরিবর্তন করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সহ রাজ্যবাসীর কাছে সুচরিতা তার জীবনের জন্য কাতর আর্জি জানিয়েছেন। যাতে আর্থিক সহযোগিতা করে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট এর ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। সুচরিতা জিসি কলেজ থেকে স্নাতক, রয়েছে কম্পিউটার ডিপ্লোমা। তার স্বপ্ন একটি রেস্টুরেন্ট খোলার। ইউটিউবে রয়েছে সুচরিতাস কিচেন নামে একটি চ্যানেল। সেখানে রয়েছে তার আবিষ্কৃত নিত্যনতুন রেসিপি সম্ভার। সুচরিতার স্বপ্ন এবং জীবনকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তিনি তার ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার দিয়ে এই নাম্বারে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করেছেন সুচরিতা ।



