রেজিস্টার গায়েব, সংশয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে অনেকেই
অজিত দাস
গত ৩০ এপ্রিল কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর,তিন মাস অতিক্রান্ত হলেও বড়খলা সহ বিভিন্ন এলাকার জনগণের মোবাইলে কোন ধরণের মেসেজ না আসায় এলাকার বেশ কিছু মানুষ মঙ্গলবার বড়খলা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ইনচার্জ এইচ.মেনজর সিংহকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
এমতাবস্থায় ডলু, ময়নারবন্দ,জারইলতলা ও শিলচর সহ দুর-দুরান্ত থেকে কোভিড ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা জনগণ বিপাকে পড়েছেন। মোবাইলে কোন ধরণের মেসেজ না আসায় ৩০ এপ্রিল কোন ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাও জানতে পারেননি স্থানীয়রা। বড়খলা হাসপাতালের ইনচার্জকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান যে রেজিষ্টার হারিয়ে যাওয়ায় প্রথম ডোজের তথ্য মোবাইলে দিতে পারেননি তাঁরা। বর্তমানে বড়খলা হাসপাতালের গাফিলতিতে প্রায় ১০০ এর ও অধিক মানুষকে প্রত্যেক দিন কোভিড টিকাকরণের দ্বিতীয় ডোজ নিতে এসে নিরাশ হয়ে হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বড়খোলা সহ বিভিন্ন এলাকার জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মঙ্গলবার বড়খোলা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জ এইচ.মেনজর সিংহের মাধ্যমে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে স্বাক্ষর সম্বলিত এক স্মারকলিপি প্রদান করে অতি সত্বর বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে এদিন স্থানীয়রা জানান যে,ভ্যাকসিন প্রদানের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিলেও বড়খলা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তা কার্যকর হয়ে উঠেছে না। হাসপাতালের গাফিলতিতে আজ বিভিন্ন এলাকার জনগণ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে এসে বঞ্চিত হচ্ছেন। বড়খলা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের গাফিলতি তথা উদাসীন ভূমিকায় ক্ষোভ ব্যক্ত করে এদিন স্মারকলিপির মাধ্যমে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন বড়খলা সহ আশেপাশের এলাকার জনগণ।



