কাকলি ডোরা চক্রবর্তীর সাথে কেআরসি টাইমস বাংলা সংবাদ পডকাস্ট শুনুন
কাকলি চক্রবর্তী
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গুজরাতের সভায় নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে! এমনটাই মনে করছে সে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন। বৃহস্পতিবার আমদাবাদের বাভলায় প্রধানমন্ত্রীর সভা ছিল। সেই সভাস্থলের কাছে এসে গিয়েছিল একটি অননুমোদিত ড্রোন। ড্রোনটি দেখতে পেয়ে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) কর্মীরা গুলি করে সেটি নষ্ট করে দেন। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যেই এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই জায়গায় কাউকে ড্রোন ওড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি।
আর সেই কারণেই তাঁরা মনে করছেন, মোদীর সভার সময় কোনও বিশেষ কারণে ওই ড্রোনটি ওড়ানো হচ্ছিল। এই বিষয়ে একাধিক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তে নেমেছে বলেও সূত্রের খবর।যদিও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ড্রোনটি পরীক্ষা করে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। তবে কেন এই ড্রোন ওখানে উড়ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সে রাজ্যের পুলিশকে।

Follow Us
উপলক্ষ আহোম সেনাপতি লাচিত বরফুকনের ৪০০তম জন্মজয়ন্তী। তাঁর বীরগাথা ও শরাইঘাট যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ দিন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে হওয়া লাচিত উৎসবে বারবার মোগলদের ‘ধর্মান্ধ আক্রমণকারী’ হিসেবে তুলে ধরলেন। শাহ নিজেকে ‘ইতিহাসের বিদ্যার্থী’ বলে দাবি করে বললেন, “ধর্মান্ধ আওরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে দক্ষিণে শিবাজি, পশ্চিমে দুর্গাদাস রাঠৌর, পঞ্জাবে গুরু গোবিন্দ সিংহ ও অসমে লাচিত বরফুকন এক সঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন বলেই মোগল সাম্রাজ্যের পতন হয় ও দেশ ফের স্বরাজের পথে এগোয়।” ইতিহাসের এমন ‘পুনর্নির্মাণ’-এর পরে তিনি ফের বলেন, “ভারতের ইতিহাসকে অনেকে বিকৃত করেছে। হাজির ইতিহাসবিদ ও ইতিহাসের ছাত্রদের বলছি, দেশের ইতিহাসকে গৌরবময় করে লেখার সময় এসেছে। গবেষণা করুন, সব অসত্য দূর করে নতুন করে ইতিহাস লিখুন। সরকার পাশে থাকবে।

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
নভেল করোনাভাইরাস প্রথম চিহ্নিত হয় চিনে। প্রথম লকডাউন কী, তা-ও জানতে পারেন এ দেশের মানুষই। কিন্তু গোটা অতিমারি পর্বে বিশ্ব জুড়ে যে লক্ষ লক্ষ মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে চিনে কমই প্রাণহানি ঘটেছে। দীর্ঘ লকডাউন, গণহারে করোনা-পরীক্ষা, পর্যটনে কড়াকড়ি, সীমান্ত বন্ধ রাখা— এ সবই তার কারণ জানিয়েছে বেজিং প্রশাসন। এমনকি এখনও করোনা-শূন্য নীতি মেনে চলছিল চিন। অর্থাৎ দেশে করোনা সংক্রমণ শূন্য না হওয়া ইস্তক কড়াকড়ি বজায় থাকবে, তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছিল সরকার।
কিন্তু তা সত্ত্বেও সংক্রমণ এখন ঊর্ধ্বমুখী। সাম্প্রতিক কালে গোটা বিশ্বে কোভিড সংক্রমণ অনেকটা কমে গিয়েছে। যদিও এ সময়ই সংক্রমণ বেড়েছে চিনে। চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, দৈনিক সংক্রমণ এখন সর্বোচ্চ। বুধবার ৩১,৪৫৪ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। অতিমারি পর্বে চিনে এটিই সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ।কিছু সংক্রমণ বাইরে থেকে ঘটেছে। বাকি ৩১,৪৪৪টি স্থানীয় সংক্রমণ। এর মধ্যে ৩৯২৭ জন সংক্রমিতের উপসর্গ ছিল। বাকি ২৭,৫১৭ জন উপসর্গহীন।

বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন অরবিন্দ কেজরীবালের ডেপুটি মণীশ সিসোদিয়া। গতকালই তিনি অভিযোগ তোলেন, বিজেপি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালকে হত্যা করার চেষ্টা করছে। আসন্ন গুজরাট নির্বাচন ও দিল্লির পুরসভা নির্বাচনে আপের কাছে হেরে যাওয়ার আশঙ্কাতেই বিজেপি এই পরিকল্পনা করছে বলে দাবি মণীশ সিসোদিয়ার। এবার এই অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার তদন্তের দাবি করলেন সিসোদিয়া। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই মর্মে নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁরা অভিযোগও জমা দেবেন।
একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় সিসোদিয়া অভিযোগ করেন, বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারি বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালের বিরুদ্ধে যা বলেছেন তা ‘প্রকাশ্য হুমকি’ ছাড়া আর কিছুই নয়। সিসোদিয়া বলেন, ‘তাঁর ভাষায় স্পষ্ট যে অরবিন্দ কেজরীবালকে খুন করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমরা মনোজ তিওয়ারির গ্রেফতারির দাবি করছি।’ সিসোদিয়ার এই অভিযোগের পর মনোজ তিওয়ারি বলেছেন, ‘অরবিন্দ কেজরীবালের নিরাপত্তা নিয়ে আমি চিন্তিত। কেজরীবালকে খুন করার যে ষড়যন্ত্রের কথা আপ বলছে তা পুরনো গল্প।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খোমেইনির একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে ইরানের জনতার বড় অংশ। আর সেই প্রতিবাদীদের উপর ইরানের পুলিশ ও সেনা নির্মম দমন-পীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতি নিয়ে এ বার উদ্বেগ প্রকাশ করল রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। সংস্থার হাই কমিশনার ভোলকার তুর্ক বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘ইরানে যা চলছে, তা পুরোপুরি মানবাধিকার সঙ্কট।’’

১৫ বছর পেরিয়ে গেলেই বাতিল করুন সরকারি ও সরকারের অধিগৃহীত গাড়িগুলি (Vehicles)। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে রাজ্যগুলিকে এই বার্তাই দিলেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী (Union Minister) নীতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari)।মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নীতিন গড়কড়ি বলেন, “ভারত সরকার (GoI) ও সরকারের অধিগৃহীত গাড়িগুলি (GoI’s undertakings) ১৫ বছর পেরোলেই ভেঙে ফেলতে হবে। কোনওভাবেই সেগুলি রাস্তায় চালানো যাবে না। এই নীতি (policy) মেনে চলার কথা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সব রাজ্যগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারগুলিকেও তাদের প্রতিটি দপ্তরে থাকা ১৫ বছরের পুরনো বাস, লরি ও গাড়িগুলিকে বাতিল করে দিক।”


