কাকলি ডোরা চক্রবর্তীর সাথে কেআরসি টাইমস বাংলা সংবাদ পডকাস্ট শুনুন
কাকলি চক্রবর্তী
আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া পঞ্জাবের তরণ তারণ জেলাতেই হামলা । ফের বড়সড় নাশকতার ছক। পুলিশ স্টেশনে হামলা চালানো হল রকেট লঞ্চার দিয়ে। পঞ্জাবে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া তরণ তারণ জেলায় পুলিশ স্টেশনে হামলা চালানো হয়।
শুক্রবার মধ্য রাতে এই হামলা চলে। রকেট লঞ্চারে করে গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল। প্রথমে তা একটি পিলারে আঘাত করে, তারপর পুলিশ স্টেশনের ভিতরে আছড়ে পড়ে। ঘটনায় কেউ আহত হননি। তবে থানা সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Follow Us
প্রায় ১০ মাস হয়ে গেল রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের। দুই দেশের মধ্য যুদ্ধ যাতে দ্রুত শেষ হয়, তার জন্য আলোচনা ও কূটনীতির উপরই বরাবর জোর দিয়েছে ভারত। দেশের এই প্রচেষ্টার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শুক্রবার তিনি বলেন, “ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা বিশ্বের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলির। ইউক্রেনের সংঘর্ষ যাতে দ্রুত আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে শেষ হয়, তার উপরেও বরাবর জোর দিয়েছে ভারত।”তিনি বলেন, ভারতও আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে বিবাদ মেটানোর উপরে জোর দিয়েছে, কারণ এই যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য, শক্তি ও সারের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) মহারাষ্ট্র ও গোয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকাল ১০টায় তিনি প্রথমে নাগপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাবেন। সেখানে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু করবেন তিনি। এরপর, ফ্রিডম পার্ক মেট্রো স্টেশন থেকে খাপরি মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত মেট্রোরেলে ভ্রমণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। খাপরিতে জাতির উদ্দেশে ‘নাগপুর মেট্রো ফেজ ১’ উৎসর্গ করার কথা রয়েছে তাঁর। ওই একই অনুষ্ঠানে তিনি ‘নাগপুর মেট্রো ফেজ-২’-এর ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন।
এরপর, নাগপুর ও শিরডির সংযোগকারী ‘সমৃদ্ধি মহামার্গে’র প্রথম ধাপের উদ্বোধন করবেন এবং এই হাইওয়েতে সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া, নাগপুরে এইমস হাসপাতালের উদ্বোধনও করবেন তিনি। পরে বিকেলে তিনি যাবেন গোয়ায়। সেখানে নবম বিশ্ব আয়ুর্বেদ কংগ্রেসের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই কর্মসূচি চলাকালীন তিনটি জাতীয় আয়ুষ ইনস্টিটিউটেরও উদ্বোধন করবেন তিনি। গোয়ার মোপা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেরও উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদীর।

আমেরিকার মিত্রশক্তি হবে না ভারত। বরং, আমেরিকার মতোই আরও এক বড় শক্তি হয়ে উঠবে ভারত। বৃহস্পতিবার, ওয়াশিংটনে অ্যাস্পেন সিকিওরিটি ফোরামের এক বৈঠকে এমনই বলেছেন হোয়াইট হাউসের এশিয়া কোঅর্ডিনেটর কার্ট ক্যাম্ববেল। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ২০ বছরে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যে দ্রুততায় ‘গভীর ও শক্তিশালী’ হয়েছে, তেমনটা আর কোনও দেশের সঙ্গে হয়নি। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কই আমেরিকার জন্য একবিংশ শতাব্দীর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বলে দাবি করেছেন তিনি।

ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তাব সমর্থন করল ১৪টি সদস্য দেশ। এক মাত্র ব্যতিক্রম সভাপতি ভারত! শুক্রবার রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে। আপৎকালীন বা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তার উপর থেকে যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য আনা প্রস্তাব ঘিরে ভোটাভুটিতে অংশ নিল না ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি তথা নিরাপত্তা পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি রুচিরা কম্বোজ নয়াদিল্লির এই অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, ‘‘মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা ভারত স্বীকার করে। কিন্তু আমরা মনে করি, যে মানবাধিকার সংগঠনগুলি সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিতে মানবিক সাহায্য দেওয়ার কাজ করবে, তাদের যোগ্যতা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিষয়গুলি নিয়ে গঠনমূলক আলোচনার প্রক্রিয়ায় আমরা রয়েছি।’’প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক কালে একাধিক বার ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির আনা প্রস্তাব ঘিরে ভোটাভুটিতে বিরত থেকেছে ভারত।



