অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার উত্তর-পূর্ব ও আসাম প্রদেশ সভাপতি বিশ্বদীপ গুপ্ত এই অভিযানের সূচনা করে বলেন, এই দাবির সমর্থনে তারা উত্তর পূর্বে দুই লক্ষ স্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন
কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো
শিলচর : নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর উপর যুদ্ধ অপরাধী তকমা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে স্বাক্ষর অভিযান শুরু করলো অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা। আজ নেতাজি জয়ন্তী উপলক্ষে শিলচর গোলদিঘী মলে এই স্বাক্ষর অভিযান শুরু হয়। অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার উত্তর-পূর্ব ও আসাম প্রদেশ সভাপতি বিশ্বদীপ গুপ্ত এই অভিযানের সূচনা করে বলেন, এই দাবির সমর্থনে তারা উত্তর পূর্বে দুই লক্ষ স্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন। এটা অত্যন্ত দুঃখের কথা যে এখনো নেতাজিকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও কমনওয়েলথে যুদ্ধ অপরাধি হিসেবে গণ্য করা হয়। ভারতবাসী হিসেবে এটা আমাদের অত্যন্ত লজ্জা। তাই নেতাজির উপর থেকে এই তকমা প্রত্যাহারের দাবিতে এই স্বাক্ষর অভিযান সারা দেশব্যাপী চলছে বলে জানান তিনি।

e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here
এর আগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্বদ্বীপ বলেন, উত্তর-পূর্বে নতুন করে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা। ভারতবর্ষকে একটি হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করাই হলো এই দলের লক্ষ্য। বীর সাভারকার যে দলের প্রতিষ্ঠা করেছেন সেই দল এবার উত্তর পূর্বে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নেবে। ত্রিপুরার নির্বাচনেও হিন্দু মহাসভা অংশ নেবে বলে তিনি জানান। এছাড়া আগামী পুর নির্বাচনেও হিন্দু মহাসভা অংশ নেবে।
হিন্দু ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে ভারতকে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হিন্দু মহাসভা কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করে বিশ্বদ্বীপ বলেন, এবার উত্তর-পূর্বের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যে কমিটি গঠন করা হবে। উত্তর পূর্বে এই দলের সদর দপ্তর থাকবে আপাতত মানুগ্রাম পুরনো কালিবাড়ি রোড। ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই দলের তাৎপর্য রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার মতে, এখনো দেশের হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ নন। যার ফলে অন্যরা এর সুযোগ নিচ্ছে।
মহাসভা তার জন্য লগ্ন থেকে এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে। সেই লড়াই এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে বক্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি তাকে উত্তর পূর্বের দায়িত্ব সমঝে দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী রাজশ্রী চৌধুরী। অনুষ্ঠানের নেতাজির জীবন আদর্শ নিয়ে বক্তব্য রাখেন পিএনসির চেয়ারম্যান হারান দে, বিভাস রায়, সাংবাদিক বিশ্ব কল্যাণ পুরকায়স্থ প্রমুখ।


