কেআরসি টাইমস বাংলা প্রাইম টাইম

2 - মিনিট |

১) বিরোধী ঐক্য হলে বিজেপি একশোর নিচে নেমে যাবে / বললেন নীতিশ
২) কোন রাজ্যকে এখন আর বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হবে না / জানালেন অর্থমন্ত্রী
৩) নির্বাচন কমিশন এখন প্রধানমন্ত্রীর ভৃত্য / বললেন উদ্ভব ঠাকরে

কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো

সংবাদ 1- বিরোধী ঐক্য হলে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে একশোর নিচে নামিয়ে দেওয়া যাবে। আজ সি পি আই এম এল দলের অধিবেশনে আমন্ত্রিত অতিথির ভাষণে এই কথা বলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতিশ কুমার। তিনি বলেন, কংগ্রেসের দেরি করা উচিত নয়। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রথমে ঐক্যের প্রস্তাব টা আসুক। কারণ এখন সময় এসেছে বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়ার। বিহারে যেভাবে বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ঠিক সেইভাবে সারাদেশে লড়তে হবে। তিনি যখন এ কথাগুলো বলছিলেন তখন তার সামনে ছিলেন কংগ্রেসের প্রতিনিধি সালমান খুরশিদ।

সংবাদ 2 – বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব কংগ্রেসকে বলেছেন যে আপনারা জোট গঠন করতে এগিয়ে আসুন ‌। তবে যেখানে কংগ্রেস শক্তিশালী নয় সেখানে বিরোধীদের চালকের আসনে বসতে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আর যেখানে কংগ্রেস শক্তিশালী সেখানে তারাই লড়ুক। এই প্রস্তাব রাখেন তিনি।

সংবাদ 3 – কোন রাজ্যকে এখন আর বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হবে না। একথা জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারাম ন। তিনি বলেন এ ধরনের কোন দাবি এখন কেন্দ্র মেনে নেবে না। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষভাবে সমস্যায় পড়বে বিহার ও উড়িষ্যা। এই দুই রাজ্য বিশেষ মর্যাদার রাজ্যের সুবিধা ভোগ করছে।

সংবাদ 4 – শিবসেনা নাম ও প্রতীক চিহ্ন একনাথ সিন্ধে গোষ্ঠীকে দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উদ্ভব ঠাকরে। আজ তার দলের কর্মকর্তাদের এক সভায় তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভৃত্য হয়ে গেছে। আসল শিবসেনা কে তার জবাব নির্বাচনে মানুষ দেবেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সংবাদ 5- প্রতীক চিহ্ন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে উদ্ভব ঠাকরেকে পরামর্শ দিলেন তার জোট সঙ্গী শারদ পাওয়ার। তিনি বলেন একসময় কংগ্রেসের কাছ থেকে প্রতীক চিহ্ন ছিনিয়ে নেওওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে নতুন হাত প্রতীক চিহ্ন মানুষ মেনে নিয়েছিলেন। একই ভাবে মানুষ শিবসেনার নতুন প্রতীক চিহ্ন মেনে নেবেন।

সংবাদ 6 – আদালত বললেও রাজস্ব জমিতে উচ্ছেদ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন যারা জমি দখল করেছে তাদের জমি ছাড়তেই হবে। সেটা বন বিভাগের হোক বা রাজস্ব জমি হোক। উল্লেখ্য গতকাল গুয়াহাটি হাইকোর্ট বলেছিল রাজস্ব জমিতে কোন ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না। এরপর দিন মুখ্যমন্ত্রী বললেন উচ্ছেদ অভিযান চলবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *