বিশুদ্ধ পানীয় জলের হাহাকার -বিহাড়া বাজার এলাকায়

2 - মিনিট |

স্মারকলিপি দিলেন জেলা শাসক কে

প্রকৃতি নিউজ কনসার্ন

শিলচর – বৃহত্তর গড়েরভিতর পঞ্চায়েত এলাকায় মোট তিনটি জলসররাহ প্রকল্পের মধ্যে শিব টিলা ও গড়ের ভিতর জল সরবরাহ প্রকল্প কে জল জীবন মিশনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও বিহাড়া প্রথম খন্ড ও দ্বিতীয় খণ্ড এলাকার জল সরবরাহ প্রকল্প কে ছেটে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ যদি এই প্রকল্প কে অন্তর্ভুক্ত করতো তাহলে আজ মাস দশেক ধরে বিহাড়া বাজার এবং সংলগ্ন এলাকার মানুষকে পানীয় জলের জন্য হাহাকার করতে হতো না।

এই প্রতিবেদক কে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান আজ মাস দশেক পূর্বে ডিজেল চালিত পাম্প অচল হয়ে পড়লে বিভাগীয় কতৃপক্ষ ঐ পাম্প টি সরিয়ে নিয়ে যান।তখন স্থানীয় বাসিন্দারা সরিয়ে নেওয়ার কারন জানতে চাইলে বিভাগীয় কর্মীরা বলেন ঐ পাম্প টির পরিবর্তে এখানে বৈদ্যুতিক পাম্প বসানো হবে তখন আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

Register your business, organisation, and services in ‘InfoCom Silchar Diary’
e-mail: infocom.krc@gmail.com
Know More | Apply Here

কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় আজ বছর পার হতে চলেছে জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ এই বিষয়ে কোনো ধরনের তৎপরতা শুরু করেননি।যার ফলে এই প্রকল্পের আওতায় থাকা জনসাধারণ বিশুদ্ধ পানীয় জল থেকে বঞ্চিত হয়ে আছেন।গত খরা মরশুমে এই বৃহত্তর এলাকার মানুষ কি যে অসুবিধা ভোগ করেছেন একমাত্র তারাই জানেন।

এখানে উল্লেখ্য যে জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের ১ নং ডিভিসনের অধীনে থাকা এই প্রকল্প কেন জল জীবন মিশনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হলো না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের প্রকল্প জল জীবন মিশনের কাজ বাকি দুটিতে সম্পন্ন হলে এখানে কেন হলো না,কি অপরাধ এই এলাকার মানুষের।

দুদিন আগে কাছাড় জেলার জেলা শাসক মাননীয় রোহন কুমার ঝা বিহাড়া দেশবন্ধু ক্লাবে একটি সচেতনতা সভায় উপস্থিত হলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের পানীয় জলের সুরাহা করে দিতে সরাসরি জেলা শাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। বর্তমানে এই প্রকল্প ভূতুরে বাড়ি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেছে, প্রকল্পের গন্ডীর মধ্যে শুধু আগাছা আর আগাছা,।কবে কখন সংস্কারের কাজে হাত দিবে জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ তা বলা যাচ্ছে না।এই পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প কে চালু করতে জেলা শাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *