পৃথিবীকে রক্ষা করার শপথ নিয়েই পালিত হয়েছে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস – আরসেটি কাছাড়ে

3 - মিনিট |

এই বছরের ধরিত্রী দিবসের থিম হল “আমাদের গ্রহের জন্য মনোনিবেশ করুন”

কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো

শাহেদ চৌধুরী : প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মাটির ক্ষয়, জল দূষণ এবং বন উজাড়ের মতো চ্যালেঞ্জ । অনেকাংশে মানুষের কার্যকলাপ পরিবেশের ক্ষতির কারণ । কেন আমাদের গ্রহের ক্ষতি হচ্ছে এবং কীভাবে তা কমানো যায় তা জানার জন্য সচেতনতা প্রয়োজন ।

ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আরসেটি কাছাড়ের ট্রেইনিদের নিয়ে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রেলি আয়োজিত হয়েছে শনিবার শিলচরে

প্রতিবছর সমাজে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন থিম নিয়ে ধরিত্রী দিবস পালিত হয় ।এই বছরের ধরিত্রী দিবসের থিম হল “আমাদের গ্রহের জন্য মনোনিবেশ করুন” । এটি হবে ৫৩ তম বিশ্ব ধরিত্রী দিবস । এর‌ই অঙ্গ হিসেবে সারা দেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পাঞ্জাব ন্যাশনেল বেংক পরিচালিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পিএনবি আরসেটি কাছাড় বিভিন্ন কর্মসূচি এর মাধ্যমে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালন করেছে। সমাজে পরিবেশ সম্পর্কীয় সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আরসেটি কাছাড়ের ট্রেইনিদের নিয়ে রেলি, পরিবেশ রক্ষার শপথ  সহ সচেতনতা সভা  আয়োজিত হয়েছে পিএনবি আরসেটি কাছাড়ে।

এছাড়া বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি আয়োজিত হয়েছে। এই সব কর্মসূচিতে অংশ গ্ৰহন করেন পাঞ্জাব ন্যাশনেল বেংক এর শিলচর সার্কেল অফিস এর সার্কেল হেড সুদীপ দাস, লিড ড্রিসট্রিকট ম্যানেজার ( এলডি‌এম) কাছাড় দিনেশ কুমার গুপ্ত সহ পিএনবি আরসেটি কাছাড়ের ডিরেক্টর জগজ্যোতি ভট্টাচার্য্য সহ প্রাক্তন এলডিএম তথা ফিনান্সিয়াল ট্রেইনার এস এস দেবরায় প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত অতিথিরা পরিবেশ সম্পর্কীয় সচেতনতা বৃদ্ধির উপর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বলেন যে শুধুমাত্র দেশ বা সরকার নয়, বরং ব্যক্তিগত স্তরে কিছু বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, যা পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা রোখার ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। পরিবেশ নিয়ে সবাইকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে।

ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে প্রশিক্ষারথীদের নিয়ে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি  আরসেটি কাছাড়ের,  উপস্থিত পিএনবি শিলচর সার্কেল অফিস এর সার্কেল হেড সুদীপ দাস, এলডিএম দিনেশ কুমার গুপ্ত সহ পিএনবি আরসেটি কাছাড়ের ডিরেক্টর জগজ্যোতি ভট্টাচার্য্য ! শনিবার শিলচর

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শুধুমাত্র বোঝানোর দিক থেকে খামতি থাকার জন্য কোনও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল প্লাস্টিকের ব্যবহার। প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে চট বা অন্য কিছু কেন তুলে ধরা যাচ্ছে না, সত্যিই বিস্ময়কর। কিছু কিছু এলাকায় কিছু সময় প্লাস্টিক বর্জন হয় তবে কিছু দিনের জন্য‌ই । সমাজের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক ওতপ্রোত।

পরিবেশগত যে কোনও সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক প্রভাব থাকাই স্বাভাবিক। এছাড়া গাছ লাগাতে হবে— এই সত্যিটা সকলেই জানেন, নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু পর্যাপ্ত গাছ কি সত্যি লাগানো হচ্ছে? আর গাছ লাগানো হলে সেটা কি মাটি বুঝে লাগানো হচ্ছে? গাছ নিয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার ব্যাপারে এখনও কেন বোঝানো গেল না মানুষকে? অনেক প্রশ্নেরই উত্তর নেই! তাই এখন আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে বলে জানিয়েছেন সভায় উপস্থিত বিশিষ্টজনরা।

তাই এবারের ধরিত্রী দিবস কিন্তু ঘুম থেকে উঠে পরিবেশ নিয়ে সক্রিয় হওয়ার দিন। নইলে, অদূর ভবিষ্যতে, বিপদ অপেক্ষা করছে সমগ্র মানব জাতির জন্য। আরসেটি কাছাড়ের সিনিয়র ফেকালটি তথা কোর্স করডিনেটর শাহেদ চৌধুরী এক প্রেস বিবৃতিতে এ খবর জানিয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *