কেআরসি বরাক টাইমস

2 - মিনিট |

এক নজরে বরাক

কেআরসি টাইমস বারাক ভ্যালি ব্যুরো

সংবাদ 1 – এবার শিলচর সেন্ট্রাল জেল থেকে পালিয়ে গেল দুই কয়েদি । দুই কয়েদির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে পুরো জেল চত্ত্বরে । এতো নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য থেকে কী ভাবে দুই কয়েদি পালিয়ে গেল, এনিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে । গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছেন পুলিশ সুপার নোমান মাহাতো।

জানা গেছে, হিফজুর রহমান ও দীপ মুনিয়া নামের দুই কয়েদি জেলের দশ নম্বর ওয়ার্ডে বন্দী ছিল । তারা দুজনই হত্যাকাণ্ডের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভুগছিল । হিফজুর বদরপুর এলাকার একটা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত এবং দীপ শিলচর মেহেরপুরের এক হত্যা মামলার আসামি । এই দুই কয়েদির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই সেন্ত্রাল জেল প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে ।

সংবাদ 2- ধলাই কাটিগড়া সিন্ডিকেটের হাব, এই মন্তব্য করলেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ পাল। বুধবার ইন্দিরা ভবনে , সাংবাদিক সম্মেলনে করে জানান বিগত কয়েক দিন কাটিগড়ায় যেভাবে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে গতকাল দুজন যুবককে অপহরণ করে সাব ইন্সপেক্টর বিধান দাসের বাড়িতে রাখা হয়েছে। অভিজিৎ বলেন, বিধান দাসকে অতি সত্বর গ্রেফতার করা উচিত। বিধান দাস কার ইশারায় চলছেন।

তার যেগুলো সম্পত্তি রয়েছে সেগুলো কোথায় থেকে আসলো, বিধান দাস বিভিন্ন সিন্ডিকেটে জড়িত রয়েছেন। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ সেন, দেবদ্বীপ দত্ত, সঞ্জীব রাই জাবেদ আক্তার লস্কর, রনজিৎ দেবনাথ, দিলুওয়ার লস্কর, গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

সংবাদ 3 – শহরের যানজট ট্রাফিক জ্যাম ও নানা সমস্যা নিয়ে বুধবার ইন্দিরা ভবনে ইয়ং ব্রিগেড সেবা দল ও যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয় । এদিন যুব কংগ্রেসের সভাপতি রনজিৎ দেবনাথ বলেন, শহরে যেভাবে যানজট বাড়ছে এনিয়ে প্রশাসন নীরব। এদিকে শহরের ড্রেনের যেগুলো কাজ করছে কাজগুলো অর্ধসমাপ্ত, করে রেখে দিয়েছে যারফলে আরও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তারা দাবি করেন শীঘ্রই এগুলো যানজট ও ড্রেনের কাজের সমস্যা সমাধান করা হয় ।

সংবাদ 4- বুধবার বিকেল তিনটায় মাত্র ১৫ মিনিটের বিধ্বংসী ঝড়ে পশ্চিম কাটিগড়ার রাজ্যেশ্বরপুর গ্রামের দশটি দোকান পুরো তছনছ হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১১ লক্ষ টাকা বলে দোকানদাররা জানান। এদিন বিকেল তিনটায় বড়াইল পাহাড়ের দিক থেকে আচমকা যখন ঝড় আসে তখন সব দোকানদার বাড়িতে ছিলেন। মাত্র ১৫ মিনিট স্থায়ী ছিল এই ঝড়। ঝড় শেষ হবার পর সবাই ছুটে এসে দেখতে পান প্রচন্ড ঝড়ে সবকয়টি দোকান ঘরের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। ঝড়ের সঙ্গে প্রচন্ড বৃষ্টি থাকায় সব কয়টি দোকানের সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায়। দোকানগুলির মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার দোকান, চাটের দোকান, কাপড়ের দোকান, গ্রোসারি শপ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *