ভাঙ্গার পার পুলিশকে সমঝে দিলেন সোনাপুর এলাকার মানুষ
প্রকৃতি নিউজ কনসার্ন
শিলচর : দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙ্গার পার পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় ড্রাগস ব্যবসার রমরমা বাণিজ্য সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলেও প্রসাশনের তরফে এমন একটা তৎপরতা চোখে পড়ে নাই। আজ বেশ কিছু দিন ধরে সোনাপুর ও ভাঙ্গার পার এলাকার কয়েকটি নির্জন জায়গায় সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে অপরিচিত উঠতি বয়সী ছেলেদের আনাগোনা শুরু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান সোনাপুর ফুটবল খেলার মাঠ ও সোনাপুর হাসপাতালের পূর্ব দিকের নদীর তীর এলাকায় ড্রাগস সেবনকারী দের আসর বসে। কিন্তু এই এলাকায় গ্রাম রক্ষী বাহিনী না থাকায় সাধারণ মানুষ এসবের বিরুদ্ধে যেতে রাজি নন। তথাপি আজ সকালে সোনাপুর হাসপাতালের পূর্ব দিকের নদীর তীরে ড্রাগস সেবনকারী দের দেখা মেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য সুজয় দাস,পুলক দাস,অভী দত্ত,মনির উদ্দিন, আছার মিয়া প্রমুখ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান দুজন নেশা সেবন কারি হাতে সিরিঞ্জ নিয়ে একে অপরকে পুষ করছে।
আচমকা এই অভিযানে একজন ড্রাগস সেবনকারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও একজনকে পাকড়াও করে সোনাপুর হাসপাতালের সামনে নিয়ে আসা হয়। বছর পঁচিশের এই যুবকের বাড়ি ভাঙ্গার পার পুলিশ ফাঁড়ির অন্তর্গত ভাঙ্গার পার ২য় খন্ডের বাসিন্দা আজমল হোসেন বাবার নাম আপ্তাব উদ্দিন বলে জানা গেছে।
এদিকে ড্রাগস সেবনকারী কে পাকড়াও করে নিয়ে আসার পর স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা ভাঙ্গার পার পুলিশ কে জানালেও কোনো ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি অবশেষে সাংবাদিক বড়খলা থানার ওসি কে ঘটনার কথা জানালে তড়িঘড়ি ভাঙ্গার পার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঐ ড্রাগস সেবনকারী কে নিয়ে যায়।
এখানে উল্লেখ্য যে আজ দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় অপরিচিত লোকের আনাগোনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান এই এলাকায় গ্রাম রক্ষী বাহিনী না থাকার সুবাদে নেশা সেবন কারি ও চোরেরা আস্কারা পেয়ে গেয়ে। এই এলাকায় যে ড্রাগস সেবনকারী দের চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে আজকের এই ঘটনা তার প্রমাণ বলে স্থানীয় বিশিষ্ট জনেরা জানিয়েছেন।


