অক্টোবরে মণিপুরে একনাথ শিন্ডে, বিধানসভা ভোটে ২৫-৩০ আসনে লড়বে শিবসেনা

< 1 - মিনিট |

কাংপোকপিতে শতাব্দীপ্রাচীন শিবমন্দির পুনর্নির্মাণের ভূমিপুজোয় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা; শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটের দাবি দলের

কে আর সি টাইমস ডেস্ক

ইম্ফল: মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং শিবসেনার একনাথ শিন্ডে শিবিরের প্রধান একনাথ শিন্ডে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মণিপুর সফরে আসতে পারেন। কাংপোকপি জেলার কৌব্রু লেইখা গ্রামের শতাব্দীপ্রাচীন একটি শিবমন্দির পুনর্নির্মাণের ভূমিপুজোয় তাঁর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে বলে দলের মণিপুর শাখা জানিয়েছে। ২০২৩ সালের জাতিগত হিংসার সময় মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে দলীয় নেতাদের দাবি।

শিবসেনার মণিপুর শাখার সভাপতি এম টোম্বি সিং জানিয়েছেন, দলের রাজ্য শাখার অনুরোধে শিন্ডে কৌব্রু লেইখা মন্দিরের পুনর্নির্মাণের ভূমিপুজোয় যোগ দিতে সম্মতি দিয়েছেন। ইম্ফলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শিন্ডের মণিপুরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

শিন্ডের সম্ভাব্য সফরের পাশাপাশি মণিপুরের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে শিবসেনা। উত্তর-পূর্বে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরমিন্দর সিং জানিয়েছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ২৫ থেকে ৩০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

দলের মণিপুর নেতৃত্ব জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে রাজ্যে শান্তি ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবং অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে হয়, সেই পরিবেশ তৈরির উপরও জোর দিয়েছে দলটি।

শিবসেনার উত্তর-পূর্বের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা পরমিন্দর সিং আরও দাবি করেছেন, জনগণনা হওয়ার আগে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি কার্যকর করা উচিত। পাশাপাশি মণিপুরের দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার অবসান এবং সাধারণ জনজীবন স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

২০২৩ সালের মে মাসে মণিপুরে শুরু হওয়া মেইতেই-কুকি জাতিগত সংঘাতে প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটে। শিবসেনা নেতাদের উল্লেখ করা হিসাবে, সংঘাতে এখনও পর্যন্ত অন্তত ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এই পরিসংখ্যানটি দলের তরফে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

এদিকে, কৌব্রু লেইখা মন্দিরের পুনর্নির্মাণ এবং পবিত্র স্থানগুলির উন্নয়নের দাবি মণিপুরের শিবসেনা শাখা আগে থেকেই তুলে আসছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দলের বক্তব্য, সংঘাতের সময় ক্ষতিগ্রস্ত ধর্মীয় স্থানগুলির পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাও জরুরি।

মণিপুরের ৬০ আসনের বিধানসভা নির্বাচন ২০২৭ সালে হওয়ার কথা। তবে নির্বাচন কমিশন এখনও ভোটের নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করেনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *